রবিবার ১৭ নভেম্বর ২০১৯
  • প্রচ্ছদ » other important » বাংলাদেশ প্রকৌশল গবেষণা কাউন্সিল আইনের খসড়ার মন্ত্রিসভায় অনুমোদন



বাংলাদেশ প্রকৌশল গবেষণা কাউন্সিল আইনের খসড়ার মন্ত্রিসভায় অনুমোদন


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
14.10.2019

নিউজ ডেস্ক: প্রকৌশল গবেষণায় কাউন্সিল গঠনের জন্য ‘বাংলাদেশ প্রকৌশল গবেষণা কাউন্সিল আইন- ২০১৯’ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার সকালে তাঁর তেজগাঁওস্থ কার্যালয়ে (পিএমও) মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

পরে বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. শফিউল আলম সচিবালয়ে বৈঠক সম্পর্কে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এ আইনে তেমন কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। আগের খসড়াই চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এ আইনটি নতুন এবং ধারণাটাও নতুন।’

তিনি বলেন, প্রকৌশল ক্ষেত্রে আমাদের কোনো গবেষণাধর্মী প্রতিষ্ঠান ছিল না। যেটি কৃষি বা শিল্পক্ষেত্রে রয়েছে। তাই প্রকৌশল গবেষণার জন্য এই নতুন আইন করা হয়েছে।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এ আইনের কাঠামো হচ্ছে বাংলাদেশ প্রকৌশল গবেষণা কাউন্সিল নামে একটি কাউন্সিল থাকবে। এ কাউন্সিল জাতীয় প্রয়োজন অনুযায়ী প্রকৌশল বিজ্ঞানের প্রায়োগিক ক্ষেত্র যেমন পূর্ত, যান্ত্রিক ও বৈদ্যুতিকসহ সকল প্রকার অবকাঠামো যন্ত্রপাতি মালামালের নকশা প্রণয়ন উৎপাদন রক্ষণাবেক্ষণ ও গুণগত মান নির্ধারণ করবে।’

তিনি বলেন,‘খসড়া আইন অনুযায়ী কাউন্সিলের অ্যাপেক্স বডি হিসেবে গভর্নিং বডি থাকবে। এ বডির ব্যবস্থাপনার জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে একজন চেয়ারম্যান থাকবেন এবং পুরকৌশলবিদ, যন্ত্রকৌশলবিদ, তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশলবিদ, প্রশাসন ও অর্থনীতি বিষয়ক এবং প্রকৌশল ও অন্যান্য শাখা থেকে একজন মিলে পাঁচজন থাকবেন। ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিউউট থেকে প্রতিনিধি এবং সরকারের মনোনীত প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, বেসরকারি প্রকৌশল প্রতিষ্ঠানের একজন প্রতিনিধি এবং যুগ্মসচিব পদমর্যাদার একজন প্রতিনিধি। সব মিলয়ে ১০ জনের কমিটি।’

প্রতি তিন মাসে একটি করে গভর্নিং বডির সভা হবে জানিয়ে শফিউল আলম বলেন, ‘বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী চেয়ারম্যান ও সচিবকে ভাইস চেয়ারম্যান করে একটি উপদেষ্টা পরিষদ থাকবে। এছাড়া, বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ প্রদানের জন্য এই খসড়া আইনের ১৪ ধারাতে আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন বিশেষজ্ঞ প্যানেল রাখার সুযোগ রয়েছে।’

এছাড়া এদিন ‘বাংলাদেশ বাতিঘর আইন-২০১৯’ এর খসড়াও মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদিত হয়।

মন্ত্রি পরিষদ সচিব বলেন, ‘দি লাইট হাউজ অ্যাক্ট-১৯২৭’ নামে ১৯২৭ সালের এ সংক্রান্ত একটি পুরনো আইন রয়েছে এটিকে আপডেট করে এই আইনটি করা হয়েছে।

নতুন যে কয়েকটি বিষয় এই আইনে সংযুক্ত করা হয়েছে তা হচ্ছে- সংজ্ঞাতে উপধারা ২ এর (৮) এ বন্দর বাতিঘর নামে একটি শব্দ যুক্ত করা হয়েছে অর্থাৎ বিভিন্ন বন্দর কতৃর্পক্ষের বাতিঘর। যেমন, চট্টগ্রাম, মোংলা এবং পায়রা বন্দও কতৃর্পক্ষের একটি বাতিঘর থাকবে।
তিনি বলেন, ১০ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে বাতিঘর অঞ্চল, এর অর্থ বোঝাচ্ছে, নির্ধারিত সীমানাযুক্ত বাতিঘর এলাকা। আর তেমন কোন পরিবর্তন নেই, আগে যা ছিল তাই। কেবল ইংরেজী থেকে বাংলায় অনুবাদ করে আইনটি করা হয়েছে।

শফিউল আলম বলেন, এদিন বর্তমান সরকারের মন্ত্রিসভার ১৭ তম বেঠকে সম্পূরক এজেন্ডা সহ মোট ১৩টি এজেন্ডা ছিল। এরমধ্যে দুইটি আইনের খসড়া এবং একটি নীতি মালা অনুমোদন সহ ১০টি বিষয়ে মন্ত্রিসভাকে অবহিতকরণ করা হয়।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি