সোমবার ৩ অগাস্ট ২০২০
  • প্রচ্ছদ » জাতীয় » বঙ্গবন্ধুকে ‘ডক্টর অব লজ’ ডিগ্রি দেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়



বঙ্গবন্ধুকে ‘ডক্টর অব লজ’ ডিগ্রি দেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
08.12.2019

নিউজ ডেস্ক: ২০২০ সালে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সমাবর্তনে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘ডক্টর অব লজ’ ((Honoris Causa)’ ডিগ্রি (মরণোত্তর) দেওয়া হবে।

শনিবার (৭ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫২তম সমাবর্তন উপলক্ষে অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ঢাবির রেজিস্ট্রার মো. এনামউজ্জামান, ৫২তম সমাবর্তন প্রচার উপ-কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. জিয়া রহমান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য বলেন, বঙ্গবন্ধু যেহেতু আইনের ছাত্র ছিলেন, তাই তাকে ডক্টর অব লজ ডিগ্রি প্রদান করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে এখনই বিস্তারিত বলা যাচ্ছে না। মুজিববর্ষে একটি বিশেষ সমাবর্তনে বঙ্গবন্ধুকে ডক্টর অব লজ ডিগ্রি প্রদান করার সিদ্ধান্ত আমাদের রয়েছে।

উপাচার্য আখতারুজ্জামান আরো বলেন, আগামীকাল ৯ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫২তম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে। সমাবর্তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ও মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সভাপতিত্ব করবেন। সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জাপানের টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের কসমিক রে রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. তাকাকি কাজিতা। তাকে সম্মানসূচক ‘ডক্টর অব সাইন্স’ ডিগ্রি দেওয়া হবে। ৫২তম সমাবর্তনে অংশগ্রহণের জন্য ২০ হাজার ৭৯৬ জন গ্র্যাজুয়েট রেজিস্ট্রেশন করেছেন। অনুষ্ঠানে ৭৯ জন কৃতি শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীকে ৯৮টি স্বর্ণপদক, ৫৭ জনকে পিএইচডি, ছয়জনকে ডক্টর অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ডিবিএ) এবং ১৪ জনকে এম ফিল ডিগ্রি দেওয়া হবে। অধিভুক্ত সাত কলেজের রেজিস্ট্রেশনকৃত গ্র্যাজুয়েটরা ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে ঢাকা কলেজ ও ইডেন মহিলা কলেজ ভেন্যু থেকে সরাসরি সমাবর্তন অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।

প্রসঙ্গত, ১৯৪৭ সালে কলকাতা থেকে ঢাকায় এসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে ভর্তি হন বঙ্গবন্ধু। ১৯৪৯ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারীদের এক আন্দোলনে সমর্থন দিয়ে আন্দোলন করার কারণে বঙ্গবন্ধুর ছাত্রত্ব বাতিল করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তবে বঙ্গবন্ধু ও আরও চারজনকে শর্ত সাপেক্ষে ছাত্রত্ব রাখার সুযোগ দেওয়া হলেও আজীবন আপোষহীন সংগ্রামী বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়া শর্ত মানেননি। ফলে তাকে বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এর ৬১ বছর পর ২০১০ সালে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের এক বিশেষ সভায় সেই আদেশ প্রত্যাহার করা হয়।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি