মঙ্গলবার ১১ অগাস্ট ২০২০
  • প্রচ্ছদ » Breaking » এবার মহাসচিব পরিবর্তনের তাগিদ দিলেন তারেক রহমান!



এবার মহাসচিব পরিবর্তনের তাগিদ দিলেন তারেক রহমান!


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
08.12.2019

নিউজ ডেস্ক: বিগত ভুলগুলো শুধরে নিয়ে বিএনপিকে নতুন করে পুনরুজ্জীবিত করতে সোচ্চার হয়েছে দলীয় হাইকমান্ড। এদিকে রাজপথে জোরালো আন্দোলন গড়ে তুলতে না পারায় দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রোষানলে পড়েছেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সাংগঠনিক শক্তি পুনরুজ্জীবিত করতে মহাসচিব পরিবর্তনের তাগিদ দিয়েছেন তারেক।

বিএনপির সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যে জানা গেছে, রাজপথে জোরালো আন্দোলন করতে না পারায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পর্যবেক্ষণে আছেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দল বেকায়দায় থাকায় আপাতত তাকে মহাসচিব পদ থেকে না সরালেও সুবিধাজনক সময়ে তার পরিবর্তে নতুন কাউকে ওই পদে বসাতে চান তারেক। এ বিষয়ে দলের শীর্ষ পদের নেতাদের হেয়ারিং দিয়েছেন তিনি।

মির্জা ফখরুলের ব্যর্থতা ও এ নিয়ে তারেক রহমানের বিক্ষুব্ধ অবস্থানের কারণ জানতে দলের স্থায়ী কমিটির একজন সদস্যের সঙ্গে কথা হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই নেতা বলেন, কারাবন্দী খালেদা জিয়াকে আন্দোলন করে মুক্ত করার জন্য লন্ডন থেকে তারেক রহমান মির্জা ফখরুলের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। এরপর মির্জা ফখরুল কারাবন্দী খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাত করেন এবং এ বিষয়ে করণীয় জানতে চান। তখন খালেদা জিয়া তাকে কঠোর আন্দোলনে না যাওয়ার নির্দেশ দেন। এতে বিক্ষুব্ধ হন তারেক রহমান। আর সে কারণেই তারেক রহমান এসব কর্মসূচী না দিয়ে বার বার কঠোর আন্দোলন শুরু করতে কঠোর নির্দেশ দেন।

তবে হঠাৎ মহাসচিবের পরিবর্তে অন্য নেতার নেতৃত্বে বিএনপি রাজপথ উত্তপ্ত করার বিষয়টি ব্যাপক জল্পনা কল্পনার জন্ম দেয়। আর মির্জা ফখরুলকে বেকায়দায় ফেলতেই তারেক রহমানের অনুসারীরা নোমানকে দিয়ে রাজপথে আন্দোলন কর্মসূচী পালন করছেন, এমন গুঞ্জনও চাউর হয়েছে দলের অভ্যন্তরে।

জানা যায়, দলীয় কার্যালয়ে স্থায়ী কমিটির সদস্য মাহবুবুর রহমান ও ভাইস চেয়ারম্যান এম মোরশেদ খানের পদত্যাগপত্র জমা দেয়া হলেও মির্জা ফখরুল বিষয়টি জানেন না বলায় তারেক রহমান তার ওপর নাখোশ হয়েছেন। তারেক রহমান মির্জা ফখরুলের এমন অবস্থান মেনে নিতে পারছেন না। তারেক রহমানসহ লন্ডন প্রবাসী দলের কিছু নেতার কারণে বিএনপির ভেতর পারস্পরিক অবিশ্বাস বেড়ে চলছে। খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পর থেকেই দলের চেইন অব কমান্ড ভেঙে পড়েছে। পারস্পরিক অবিশ্বাস আর কাদা ছোড়াছুড়ি কারণে সর্বস্তরে দলীয় কর্মকাণ্ডে অচলাবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি