মঙ্গলবার ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০
  • প্রচ্ছদ » Uncategorized » ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানের করা হচ্ছে’



‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানের করা হচ্ছে’


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
13.02.2020

নিউজ ডেস্ক: বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেছেন, কক্সবাজার পর্যটন শহর। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানের করা হচ্ছে। কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে ১২ হাজার ফিটে উন্নত করা হচ্ছে। সেখানে হোটেল মোটেল আন্তর্জাতিক মানের রয়েছে। দেশি বিদেশি পর্যটকদের জন্য যেসব সুযোগ সুবিধা থাকা প্রয়োজন আমরা অব্যাহত রাখবো।

বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে পর্যটনের প্রসারে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত ট্রাভেল ম্যাগাজিন ‘বিউটিফুল বাংলাদেশ’ এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান ও পর্যটনের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। এ সময় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মহিবুল হক উপস্থিত ছিলেন।

তিনি আরো বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে কানাডা থেকে মোট পাঁচটি বিমান আসবে। তবে কাডানার রাষ্ট্রদূত আমাদের সঙ্গে দেখা করে আগামী বছরের জুনের মধ্যে তিনটি ও পরে আরও দুটি বিমান দিতে চেয়েছেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মুজিববর্ষ উপলক্ষে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। দেশীয় পর্যটন বিশ্বে যথাযথভাবে তুলে ধরার এখনই উপযুক্ত সময়। দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, গৌরবময় ইতিহাস ও সমৃদ্ধ ঐতিহ্যসহ আমাদের যে বৈচিত্র্যময় পর্যটন সম্ভার রয়েছে তা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যটকদের কাছে যথাযথ প্রচারণার মাধ্যমে তুলে ধরতে হবে। পর্যটনে আমাদের সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি বলেন, বিমানে যে সফলতা তার চেয়ে অনেক বেশি সম্ভাবনা পর্যটনে। বাংলাদেশের যে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বিশ্বের বড় সমুদ্র সৈকত, ম্যানগ্রোভ বন, পাহাড়ি এলাকা এবং ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা যা পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে। আমরা এ জিনিসগুলা তুলে ধরতে পারিনি। এ জন্য মন্ত্রণালয় স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদি পদক্ষেপ নিয়েছে। ইতিমধ্যে আমরা পরামর্শক নিয়োগ দিয়েছি তারা পর্যটন নিয়ে মহাপরিকল্পনা করবে। এ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ পর্যটনের নতুন যুগে প্রবেশ করবে।

মাহবুব আলী বলেন, ঢাকা ও এর আশপাশের পর্যটন স্থাপনা নিয়ে মন্ত্রণালয়ের বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে। পর্যটকদের কাছে এসব তুলে ধরতে উন্নত দেশের মত প্রতি সপ্তাহে ডাবল ডেকার পর্যটন বাসের মাধ্যমে একদিনের মধ্যে এসব স্থাপনা ঘুরে দেখার ব্যবস্থা করা হবে। অচিরেই এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি পর্যটনকেন্দ্রে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে স্বস্তির পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে। এ সময় তিনি দেশের পর্যটনকেন্দ্র সমূহকে গণমাধ্যমে বেশি করে তুলে ধরার আহ্বান জানান।

রাডার সিস্টেম উন্নত করার পরিকল্পনা আছে কিনা জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাডার সিস্টেম আরও উন্নত করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। আমরা জি টু জির মাধ্যমে থেলাস থেকে রাডার নিয়েছি। কেবিনেট ও অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত কমিটিতে অনুমোদন পেয়েছে। আন্তর্জাতিক মানের রাডার হয়ে গেলে সেন্টমার্টিনসহ সুন্দরবনের কিছু অংশ এখন রাডারের আওতার বাইরে রয়েছে সেগুলো আওতাভুক্ত হবে। এটা নিয়ে কাজ হচ্ছে।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে সিনিয়র সচিব মো. মহিবুল হক বলেন, এ মুহূর্তে মুজিববর্ষ উদযাপনের দ্বারপ্রান্তে রয়েছি। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপনের কাজ শুরু হচ্ছে, যাতে দেশি-বিদেশি প্রতিটি যাত্রী বাংলাদেশ পা রাখা মাত্রই এটি অনুধাবন করতে পারে এ দেশ বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ। সে জন্য শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবেশ ও বাহির পথে ৩০ ফুট দৈর্ঘ্যের বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন করা হবে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ অনুসরণ করেই আমাদের সব উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা হবে।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি