রবিবার ২৯ মার্চ ২০২০
  • প্রচ্ছদ » Lead 3 » চসিক নির্বাচন: মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে নতুন দুশ্চিন্তায় বিএনপির প্রার্থীরা!



চসিক নির্বাচন: মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে নতুন দুশ্চিন্তায় বিএনপির প্রার্থীরা!


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
19.02.2020

নিউজ ডেস্ক: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, সহ-সভাপতি নিয়াজ মোহাম্মদ খান, সহ-সভাপতি সৈয়দ আজম উদ্দিন ও নগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক এরশাদ উল্লাহ। মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-দফতর সম্পাদক বেলাল আহমেদ এ তথ্য জানিয়েছেন। শুরু থেকে সিটি নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে দ্বিমত থাকলেও লন্ডনে অবস্থানকারী বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান গ্রিন সিগন্যাল দেয়ায় সম্ভাব্য প্রার্থীরা মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন বলে জানা গেছে।

এদিকে চট্টগ্রাম বিএনপির একটি গোপন সূত্র বলছে, মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে নতুন করে বেকায়দায় পড়েছেন বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা। চট্টগ্রাম শহরে বিএনপির বেশিরভাগ নেতাই বিত্তশালী। বিপুল অর্থ-সম্পদের মালিক। তাই সিটি নির্বাচনে চূড়ান্ত মনোনয়ন পেতে হলো বড় অংকের অর্থ ব্যয় করতে হবে, এমন গুঞ্জন এখন ডালপালা মিলবে চট্টগ্রাম বিএনপির রাজনীতিতে। দলের অনেকেই বলাবলি করছে যে, এবারের চসিক নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন বাণিজ্য অতীতের রেকর্ড ভেঙ্গে দেবে। কারণ দলের দুর্দিন চলছে। বিএনপি হাইকমান্ড বেগম জিয়ার মুক্তি ও অন্যান্য দাবিতে আন্দোলন করতে চায়। আর আন্দোলনের রসদের বড় অংশ আসবে চসিক ও অন্যান্য উপ-নির্বাচনের মনোনয়ন বাণিজ্য থেকে। তাই চসিক নির্বাচন বিএনপির চোখে শুধু মেয়র নির্বাচন নয় বরং দলকে অক্সিজেন সরবরাহেরও মাধ্যম হবে। পাশাপাশি লন্ডন থেকে কলকাঠি নেড়ে সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করে দাবি আদায়ের জন্য আন্তর্জাতিক লবিং করতেও বিপুল পরিমাণ অর্থ দরকার। সেই অর্থ চসিক নির্বাচনে মনোনয়ন বাণিজ্য তারেক রহমানকে আর্থিকভাবে আরো বেশি সহায়তা করবে বলেও নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে চট্টগ্রাম বিএনপির রাজনীতিতে।

এদিকে চসিক নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা ডা. শাহাদাত হোসেনের ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে জানা গেছে, মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করার পরপরই তাকে রাজধানীর নয়াপল্টন পার্টি অফিস থেকে একজন ফোন করেছেন। চূড়ান্ত মনোনয়ন পেতে কিছু পরামর্শও দেয়া হয়েছে ডা. শাহাদাতকে। তবে ফোনদাতার পরিচয় প্রকাশ করতে চায়নি সূত্রটি। ধারণা করা হচ্ছে বিএনপির আবাসিক নেতাখ্যাত রিজভী আহমেদ ফোন করেছিলেন এবং অর্থসংক্রান্ত বিষয়ে কিছুটা পূর্বাভাস দিয়েছেন তাকে। এদিকে হাইকমান্ড থেকে ফোন করে পরোক্ষ চাঁদাবাজির ইঙ্গিতের বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর থেকে নতুন করে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন বিএনপির অন্যান্য প্রার্থীরাও।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি