শনিবার ৪ এপ্রিল ২০২০
  • প্রচ্ছদ » Lead 2 » ফখরুলের উপর গোসসা করে নেত্রীকে দেখতে হাসপাতালে যাননি রিজভী!



ফখরুলের উপর গোসসা করে নেত্রীকে দেখতে হাসপাতালে যাননি রিজভী!


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
25.03.2020

নিউজ ডেস্ক: বয়স ও মানবিক দিক বিবেচনা করে দুইটি শর্তে ৬ মাসের জন্য সাজা স্থগিত করে কারাবন্দী চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়েছে সরকার। তাই বেগম জিয়াকে রিসিভ করতে এবং একনজর দেখতে হাসপাতাল চত্বরে জড়ো হন মির্জা ফখরুলসহ দলটির দ্বিতীয় ও তৃতীয় সারির শতাধিক নেতা। কিন্তু বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদকে দেখা যায়নি হাসপাতালে। জানা গেছে, মির্জা ফখরুলের উপর গোসসা করে হাসপাতালে নেত্রীর সাথে দেখা করতে যাননি রিজভী।

বিভিন্ন সূত্রের বরাতে জানা গেছে, বেগম জিয়া মুক্তি পাচ্ছেন, এমন তথ্য পেয়ে জনসমাগম এড়িয়ে চলার নির্দেশনা অমান্য করেই মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) অনুসারীদের নিয়ে হাসপাতাল চত্বরে উপস্থিত হয়েছিলেন রিজভী আহমেদ। এসময় তিনি অতিউৎসাহী হয়ে বেগম জিয়ার মুক্তির বদলে তার মৃত্যুর খবর সম্পর্কে গণমাধ্যমে বক্তব্য দিয়ে সমালোচনারও জন্ম দিয়েছিলেন। তবে বুধবার হাসপাতালে রিজভী অনুপস্থিত থাকার কারণ হলো তিনি নাকি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে গুঞ্জন উঠেছে। গণমাধ্যমের এমন খবর পেয়ে খোদ দলীয় মহাসচিব নাকি রিজভী আহমেদকে বেগম জিয়ার কাছ থেকে দূরে থাকতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। যার কারণে গোসসা হয়ে রিজভী আহমেদ হাসপাতালে বেগম জিয়াকে রিসিভ করতে যাননি বলে জানা গেছে। গুঞ্জনে বিশ্বাস করে মির্জা ফখরুল তার সাথে অসদাচরণ করায় মনের দুঃখে রিজভী নাকি নিজেকে নয়াপল্টন পার্টি অফিসে আবদ্ধ রেখেছেন বলেও খবর শোনা যাচ্ছে।

হাসপাতালে অনুপস্থিত থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রিজভী আহমেদ বলেন, গতকাল গিয়েছিলাম হাসপাতালে। কিন্তু সেখানে গিয়ে মিডিয়ায় কথা বলার পরপরই আমাকে ফোন করে মির্জা ফখরুল হাসপাতাল ত্যাগ করার নির্দেশ দেন এবং এবং পরবর্তীতে নির্দেশ দেয়া পর্যন্ত আমি যেন নেত্রীর আশপাশে না যাই সেই বিষয়েও তিনি আমাকে সতর্ক করেন। ফখরুল সাহেব বলেছেন, এটি নাকি লন্ডনের নির্দেশনা।

তিনি আরো বলেন, বিষয়টি দুঃখজনক। আমি নাকি করোনায় আক্রান্ত হয়েছি, এমন খবর পেয়েই তিনি আমাকে হাসপাতালে আসতে বারণ করেছেন। আমি সুস্থ আছি। আসলে কেউ আমাদের মাঝে অবিশ্বাসের দেয়াল সৃষ্টি করার ষড়যন্ত্র করছে। তাই সব কিছু বিবেচনা করে আমি আর হাসপাতালে যাইনি। তবে আমার মন এখনও নেত্রীর কাছে পড়ে আছে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ম্যাডামকে নিয়ে ব্যস্ত আছি। রিজভীর বিষয়ে পরে কথা বলা যাবে। এরপর তিনি ফোন কেটে দেন।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি