সোমবার ১ জুন ২০২০



দুঃখ নিয়ে অফিস ছাড়লেন রিজভী, ‘পাগলামি’ না করার প্রতিজ্ঞা


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
28.03.2020

নিউজ ডেস্ক: বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির প্রত্যাশায় ২০১৮ সালের ৩০ জানুয়ারি থেকে ২০২০ সালের ২৬ মার্চ পর্যন্ত মোট ৭৮৭ দিন দলীয় কার্যালয়ে অবস্থান শেষে সিদ্ধান্ত বদল করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল রিজভী আহমেদ।

যদিও এ সময়কালে রিজভীর এমন ত্যাগ-তিতিক্ষায় অনেকে হাসিঠাট্টা করেছেন। অনেকেই আবার বাহবাও দিয়েছেন। কিন্তু যে আশায় রিজভী নিজেকে অফিসবন্দী রেখেছিলেন, সেই আশার গুড়ে-বালি। মুক্তির পর বেগম জিয়া একটিবারের জন্যও রিজভীর খোঁজ নেননি। তাই নেত্রীর মুক্তির পরপরই দুঃখ-ভারাক্রান্ত হৃদয়ে অফিসত্যাগ করে বাড়ি চলে গেছেন রিজভী আহমেদ। নেত্রীর জন্য ঘর-সংসার ত্যাগ করেও কোনো মূল্যায়ন এমনকি একটি ফোনকলও না পাওয়ায় হৃদয়ে আঘাত পেয়েছেন তিনি। তাই আগামীতে দলের জন্য এমন আর পাগলামি করবেন না বলেও জানিয়েছেন। বিএনপির নয়াপল্টন পার্টি অফিসের কর্মচারি মঞ্জুর বরাতে রিজভীর এমন ক্ষোভের বিষয়ে জানা গেছে।

বিএনপির নয়াপল্টন পার্টি অফিসের কর্মচারি মঞ্জু বলেন, ম্যাডাম জিয়া মুক্তির পাওয়ার পর সবচেয়ে খুশি হয়েছিলেন রিজভী স্যার। দেখাও করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তার শরীরে জ্বর থাকায় ফখরুল স্যার তাকে ম্যাডামের আশপাশে যেতে নিষেধ করেছিলেন। অবশ্য রিজভী স্যার মনে করেছিলেন মুক্তি পাওয়ার পর ম্যাডাম তাকে কল দেবেন। কিন্তু সেটি হয়নি।

মঞ্জু আরো বলেন, রিজভী স্যার দুই বছরের বেশি সময় ধরে অফিসে ছিলেন। শুধু ম্যাডামের জন্য তিনি পরিবার ত্যাগ করেছিলেন। কিন্তু মুক্তি পাওয়ার পর ম্যাডাম তার খোঁজ না নেয়ায় মনে দুঃখ নিয়ে তিনি বাড়ি চলে গেছেন। দলের জন্য এতকিছু করেও নেত্রীর একটা ফোন না পেয়ে স্যার খুব কষ্ট পেয়েছেন। করো জন্যই আগামীতে তিনি এই ধরণের পাগলামি করবেন না বলেও প্রতিজ্ঞা করেছেন।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি