মঙ্গলবার ২ জুন ২০২০



মেরিন একাডেমিতে ‘নন-ইনভার্সিভ ভেন্টিলেটর’ উদ্ভাবন


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
22.05.2020

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ মেরিন একাডেমির কমান্ড্যান্ট ড. নৌ প্রকৌ. সাজিদ হোসেনের পৃষ্ঠপোষকতায় ল্যাব-অফিসার মুহাম্মদ খালেদ সালাউদ্দিন একাডেমির কন্ট্রোল ল্যাবের নিউমেটিক কন্ট্রোল টেকনোলজি ও যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে সহজে ব্যবহারযোগ্য ‘নন-ইনভার্সিভ ভেন্টিলেটর’ তৈরি করেছেন।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ চিকিৎসায় কোনো কোনো কার্যকরি ওষুধ আবিষ্কৃত না হওয়ায় গুরুতর অসুস্থ রোগীর শ্বাসকষ্ট প্রশমনে ভেন্টিলেটরই একমাত্র ভরসা। সম্প্রতি বাংলাদেশ মেরিন একাডেমির নিউমেটিক-কন্ট্রোল ল্যাবরেটরিতে তৈরি হয়েছে এই ভেন্টিলেটর’।

ভেন্টিলেটর তৈরি প্রসঙ্গে খালেদ সালাউদ্দিন বলেন, নিউমেটিক কন্ট্রোল টেকনোলজি ব্যবহার করে বাংলাদেশে এই প্রথম নন-ইনভার্সিভ ভেন্টিলেটর তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। এই প্রযুক্তির বড় সুবিধা হচ্ছে এর একটি কন্ট্রোল ইউনিট দিয়ে প্রায় ৫ থেকে ৮টি অক্সিজেন প্রেশার ইউনিট চালানো এবং সম সংখ্যক রোগীর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা সম্ভব।

তিনি আরো বলেন, পুরো যন্ত্রটির কন্ট্রোল অংশে সলেনয়েড কন্ট্রোল ভালভ, ম্যাগনেটিক সেন্সর ও টাইম-রিলে এবং প্রেশার অংশে নিউমেটিক পিস্টন-সিলিন্ডার, অক্সিজেন রিসারভার ও একটি ব্যাগ-ভালব-মাস্ক ব্যবহার করা হয়েছে। ব্যাবহারের সময়ে, যন্ত্রটিতে অক্সিজেনের প্রেশার, ভলিউম ও রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাসের রেট নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা রয়েছে।

একাডেমির আর্বান ডিসপেন্সারীর মেডিকেল অফিসার ডা. আমিনুল ইসলাম বলেন, একাডেমি উদ্ভাবিত ভেন্টিলেটরটি পর্যবেক্ষণ করেছি। এটা যেকোনো শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যাজনিত রোগীর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে।

দেশে করোনা রোগী ছাড়াও যেসব হাসপাতালে আইসিইউ/রেস্পিরেটরি সাপোর্ট নেই সেখানে কনভেনশনাল ভেন্টিলেটরের জায়গায় বিকল্প ভেন্টিলেটর হিসাবে কার্যকর হয়ে উঠতে পারে যন্ত্রটি।

কমান্ড্যান্ট ড. সাজিদ হোসেন বলেন, আপাতত এই যন্ত্রটি একাডেমির আর্বান ডিসপেন্সারীতে স্থাপিত আইসোলেশন সেন্টারে স্থাপন করা হবে।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি