মঙ্গলবার ২ জুন ২০২০
  • প্রচ্ছদ » Lead 1 » তারেকের ইন্ধনে ‘পোশাক খাতকে ধ্বংসের’ পাঁয়তারা, সতর্ক থাকার আহ্বান



তারেকের ইন্ধনে ‘পোশাক খাতকে ধ্বংসের’ পাঁয়তারা, সতর্ক থাকার আহ্বান


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
22.05.2020

নিউজ ডেস্ক: কাক ডাকা ভোর কিংবা মধ্যরাত, করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বদা নিরলসভাবে কাজ করছে সরকার। অথচ এই সংকটময় পরিস্থিতিতে মানুষের পাশে না থেকে উপরন্তু দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত বিএনপি নেতাকর্মীরা। লন্ডনে পলাতক দুর্নীতির বরপুত্র ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের প্রচ্ছন্ন ইন্ধনে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি এই কাজগুলো করছেন তাদের ‘পেইড কর্মীরা’। তারই ধারাবাহিকতায় এবার তারা দেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করতে পোশাক খাতকে অস্থিতিশীল করে তোলার পাঁয়তারা করছেন বলে জানা গেছে।

বিশিষ্টজনদের ভাষ্য, নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির বাইরে বিএনপি নেতৃবৃন্দ অন্য কিছু নিয়ে ভাবেন না। ভাবেন না, কীসে দেশ ও দশের ভালো হবে। যদি ভাবতেনই, তবে দুর্নীতির দায়ে দলটির শীর্ষ নেতাদের সাজাভোগ কিংবা দেশত্যাগ করা লাগতো না। এ থেকেই তাদের অস্বচ্ছ রাজনৈতিক মতাদর্শের পরিচয় মেলে।

দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানিয়েছে, একের পর এক সরকারবিরোধী অপতৎপরতায় লিপ্ত বিএনপি নেতাকর্মীরা। তারই অংশ হিসেবে এবার খালেদাপুত্র তারেক রহমান নতুন ষড়যন্ত্রের জাল বিছিয়েছেন। তিনি মোটা অংকের কমিশনের বিনিময়ে দেশের পোশাক খাতকে অস্থিতিশীল করে অর্ডার বাতিলের মাধ্যমে অন্য দেশকে অর্ডার পাইয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্রে নেমেছেন। আর এ কাজে তাকে তার ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহচর ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ এবং বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু সহায়তা করছেন। এরই মধ্যে তারা ‘ভাড়াটে লোক’ দিয়ে পোশাক কারখানায় ভাংচুর ও রাস্তা অবরোধের মত ঘটনা ঘটিয়েছেন। মূলত সরকারের ইতিবাচক কর্মতৎপরতা থেকে জনগণের দৃষ্টিভঙ্গি অন্যদিকে ফেরাতেই তারা এই অপপ্রয়াস চালাচ্ছে।

বিষয়টিকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ উল্লেখ করে দেশের রাজনৈতিক বিজ্ঞজনরা বলছেন, সাপের ডিম ফুটে সাপের বাচ্চা বৈ কাঠবিড়ালি বের হয়না। যেমনটা হয়েছে তারেক রহমানের ক্ষেত্রে। তিনি তার বাবার দেখানো রক্ত-লাশের রাজনীতির পথে হাঁটছেন। সে কারণে তিনি পোশাক শ্রমিক পরিচয়ের আড়ালে ‘বহিরাগত’দের এনে বিশৃঙ্খলা তৈরির অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। তাই আমাদের সবাইকে সচেতন থাকতে হবে, যাতে তার রক্তপিপাসু স্বৈরাচারী ষড়যন্ত্র সফল না হয়।

‘পোশাক খাতকে ধ্বংসের’ কর্মকাণ্ডে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানে সরকারের কাছে জোর দাবি করে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ বলছে, এমন অরাজকতা চলতে থাকলে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারখানা বন্ধ ছাড়া অন্য কোন উপায় থাকবে না। এতে অর্থনীতি পিছিয়ে পড়বে এবং সামাজিক ভারসাম্য বিনষ্ট হবে। তাই দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করা প্রয়োজন।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি