সোমবার ৬ জুলাই ২০২০



প্রধানমন্ত্রীকে জাতিসংঘ মহাসচিবের শুভেচ্ছা


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
30.05.2020

নিউজ ডেস্ক: সুপার সাইক্লোন আম্ফানের ক্ষয়ক্ষতিতে দুঃখ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি লিখেছেন প্রিন্স অব ওয়েলস প্রিন্স চার্লস। অন্যদিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

শুক্রবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রিন্স চার্লস তার ও পত্নী ডাচেস অব কর্নওয়াল ক্যামিলিয়ার পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখে এই দুঃখ প্রকাশ করেন।

চার্লস চিঠিতে লিখেছেন, ঘুর্ণিঝড় আম্ফানের আঘাতে বাংলাদেশে মানুষের জানমালের ক্ষয়ক্ষতিতে আমি এবং আমার স্ত্রী যে কী পরিমাণ দুঃখিত হয়েছি তা আপনাকে জানাতে চাই। যারা হতাহত হয়েছে বা ঘূর্ণিঝড়ে যাদের ঘরবাড়ি ভেসে গেছে তাদের জন্য তার ও ক্যামিলিয়ার হৃদয় ভেঙে গেছে।

তিনি আরো লিখেছেন, আমরা বুঝতে পারি এটা আপনার জনগণের কাছে কতটা ভয়ানক কঠিন ছিল। কেননা, এ সময় তারা একটি আনন্দঘন ঈদ উদযাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। আমাদের সম্ভব সবচেয়ে বড় সমবেদনা এবং বিশেষ প্রার্থনা, আপনার কোভিড-১৯ মহামারি এবং এই ভয়াবহ তীব্র ঝড়ের ক্ষতি, উভয়ের বিরুদ্ধেই লড়াইয়ের প্রেক্ষাপটে এমন নিদারুণ উদ্বেগের সময়ে বাংলাদেশের জনগণের সাথে রয়েছে।

এছাড়া রাতে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম জানান, আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শুক্রবার (আজ) রাতে টেলিফোন করে শুভেচ্ছা জানান জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

২৯ মে, আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস। শান্তিরক্ষীদের সীমাহীন আত্মত্যাগকে স্মরণ করে ২০০৩ সাল থেকে দিবসটি বিশ্বব্যাপী উদযাপিত হচ্ছে। ইউক্রেনের শান্তিরক্ষী সংস্থা এবং ইউক্রেন সরকারের যৌথ প্রস্তাবনায় ১১ ডিসেম্বর, ২০০২ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের গৃহীত ৫৭/১২৯ প্রস্তাব অনুযায়ী এ দিবসের রূপরেখা প্রণয়ন করা হয়।

১৯৪৮ সালে সংঘটিত আরব-ইসরায়েল যুদ্ধকালীন যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণে গঠিত জাতিসংঘ ট্রুস সুপারভিশন অর্গানাইজেশন (আন্টসো) দিনকে উপজীব্য করে ২৯ মে তারিখটি স্থির করা হয়।

উল্লেখ্য, জাতিসংঘ ট্রুস সুপারভিশন অর্গানাইজেশনই (আন্টসো) হলো প্রথম জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী। এই হিসেবে (১৯৪৮ সাল থেকে) জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী ৭২ বছর পূর্ণ করল। এদিনে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী সব পুরুষ-নারীকে শান্তিরক্ষার লক্ষ্যে সর্বোৎকৃষ্ট পেশাদারী মনোভাব বজায়, কর্তব্যপরায়ণতা, নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তাদের আত্মত্যাগের ঘটনাকে গভীর কৃতজ্ঞতা ও যথোচিত সম্মানপূর্বক স্মরণ করা হয়।

২০০৯ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষায় নারীদের অবদান ও ভূমিকার ওপর সবিশেষ গুরুত্বারোপ করে। শান্তিরক্ষায় নারীর ভূমিকা ও লিঙ্গবৈষম্য দূরীকরণের লক্ষ্যেই ওই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি