শনিবার ৪ জুলাই ২০২০
  • প্রচ্ছদ » জাতীয় » ‘গঠনতন্ত্রের ৭ নম্বর ধারা বাতিল প্রমাণ করে দুর্নীতিবাজ দল বিএনপি’



‘গঠনতন্ত্রের ৭ নম্বর ধারা বাতিল প্রমাণ করে দুর্নীতিবাজ দল বিএনপি’


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
27.06.2020

নিউজ ডেস্ক:বিএনপির গঠনতন্ত্রে উল্লেখ ছিল উন্মাদ, দেউলিয়া, দণ্ডপ্রাপ্ত বা দুর্নীতিগ্রস্ত এমন কেউ কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে আসতে পারবে না। বিএনপির সেই ৭ নম্বর ধারা বাতিল করে সংশোধিত গঠনতন্ত্র নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেয়। এর মাধ্যমে বিএনপি দুর্নীতিবাজ দল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

তারা মনে করেন, বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার দুর্নীতির মামলা রায়ের কয়েকদিন আগে দলটির গঠনতন্ত্র পরিবর্তন করা হয়। এই গঠনতন্ত্র পরিবর্তনের কথা প্রকাশিত হওয়ার পর জনগণ বিএনপিকে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করে। এজন্য বিএনপির জনপ্রিয়তার এখন তলানিতে। তাদের কোনো আন্দোলন-সংগ্রামে দেশের মানুষের সাড়া নেই। আন্দোলনে জনগণ তো দূরের কথা বিএনপি নেতাকর্মীরাও মাঠে নেই।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, কাউন্সিল না করে হঠাৎ দলীয় সংবিধানের এমন একটি ধারা বাতিল করায় প্রমাণ হয় বিএনপি দুর্নীতিবাজদের একটি দল। এ দলের চেয়ারপারসন দণ্ডিত, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দণ্ডিত। বিএনপি এখন স্বীকৃত দুর্নীতিবাজদের দল। যে দল রাতের আধারে সাত নম্বর ধারা বাতিল করে উন্মাদ, দেউলিয়া, দণ্ডপ্রাপ্ত বা দুর্নীতিগ্রস্তদের আশ্রায় দেয় সেই দল ও তাদের নেতাকর্মীদের দেশের মানুষ চায় না।

খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পর তারেক রহমানকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ঘোষণা ও গঠনতন্ত্রের পরিবর্তন নিয়ে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন মহল থেকে বিরূপ প্রতিক্রিয়া আসে। কারণ তারা মনে করে এভাবে গঠনতন্ত্র সংশোধন করা অগণতান্ত্রিক। দুর্নীতির দায়ে দণ্ডিত এবং দেশে অনুপস্থিত কাউকে দলের নেতৃত্ব দেয়াটা অশোভন। এরপর থেকে সারাদেশের জনগণের কড়া সমালোচনায় মুখে পড়ে বিএনপি।

দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত লন্ডনে অবস্থানরত তারেক রহমানকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করে বিতর্ক সৃষ্টি করে বিএনপি। এ কারণে একের পর এক আন্দোলন-সংগ্রাম করতে ব্যর্থ হয় দলটি।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এক অনুষ্ঠানে বলেন, বিএনপি দুর্নীতিতে নিমজ্জিত একটি দল। ক্ষমতায় থাকাকালে তারা হাওয়া ভবন তৈরি করে সমান্তরাল সরকার পরিচালনা করেছিল এবং হাওয়া ভবনের মূল কাজ ছিল সব ব্যবসায় দশ পার্সেন্ট টোল বসানো। যেটি সমগ্র দেশের মানুষ জানে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশে এসে সাক্ষ্য দিয়ে গেছে। বিভিন্ন অপরাধ প্রমাণে তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে।

হাছান মাহমুদ আরো বলেন, বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া নিজে দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত সম্পদ অর্থাৎ অপ্রদর্শিত কালো টাকা জরিমানা দিয়ে সাদা করেছেন। দেশ থেকে দুর্নীতির মাধ্যমে তার প্রয়াত পুত্র কোকোর পাচারকৃত টাকা সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফেরত আনা হয়েছে। তারেক ও কোকো’র দু’টো ঘটনাই বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থা উদঘাটন করেছে। এর মাধ্যমে প্রমাণ হয় তারা দুর্নীতিবাজ।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি