শুক্রবার ৭ অগাস্ট ২০২০



এক নজরে স্বৈরাচার জিয়াউর রহমানের বিএনপি


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
03.07.2020

নিউজ ডেস্ক: জিয়াউর রহমান দেশের ইতিহাসে আলোচিত শাসকের নাম। গত ৩০ মে ছিল তার ৩৯তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৮১ সালের এই দিনে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্যের হাতে তিনি নিহত হন। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে মোটাদাগে বড় অভিযোগ দুইটি। প্রথমত স্বাধীনতা বিরোধীদের রাজনীতির সুযোগ দেয়া এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নিষ্ঠুরভাবে দমন করা।

জিয়াউর রহমানের শাসনামলকে দুইভাবে বিশ্লেষণ করা যায়। প্রথমত, ৭০ দশকের আর দশজন সামরিক শাসকের মতোই তিনি ছিলেন কঠোর ও কৌশলী। প্রতিপক্ষকে কঠোরভাবে দমন করতেন তিনি। সামরিক বাহিনীর অনেক সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয় তার সময়।

উল্লেখ্য, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় ও সামরিক শাসনামলে বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হয়। ফলে প্রথম থেকেই দলটি একটি জনবিচ্ছিন্ন দলে পরিণত হয়। ফলে ১৫ আগস্ট নির্মম হত্যাকাণ্ডের সুবিধাভোগীরা এবং তৎপূর্বে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের মদদদাতা মোশতাকরাই সময়ে সময়ে এই দলের হর্তাকর্তা ছিলেন এই দলের। যেমন করে বর্তমানে হাল ধরার চেষ্টা করছেন দুর্নীতির অভিযোগে ফেরারী তারেক জিয়া।

জিয়াউর রহমান প্রতিষ্ঠিত বিএনপিকে অনেকেই রাজনৈতিক ক্লাব বলতে পছন্দ করেন। এখানে নাম মত ও পথের দল থেকে আসা নেতারা মন্ত্রী হয়েছেন। সরকারের সুবিধা নিয়ে ব্যবসা করেছেন। কিন্তু তারা দলকে ধারণ করেননি। এর প্রমাণ পাওয়া যায় রাষ্ট্রপতি লে. জে হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদের আমলে। বিএনপির অনেক নেতা হুমড়ি খেয়ে জাতীয় পার্টিতে যোগ দিতে শুরু করেন। বিগত জরুরি অবস্থার সময়ও দলটির মহাসচিবসহ শতাধিক এমপি সংস্কারপন্থী হয়েছিলেন।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি