শুক্রবার ৭ অগাস্ট ২০২০



জঙ্গিবাদের গডফাদাররা বিএনপির সৃষ্টি


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
04.07.2020

নিউজ ডেস্ক: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো একটি অসম্প্রদায়িক প্রগতিশীল রাষ্ট্র হিসেবে।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সারা জীবন সংগ্রাম করে গেছেন ধর্ম নিরপেক্ষ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ গড়ার লক্ষ্যে । কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে স্বপরিবারে হত্যা করা হয়। এরপর বাংলাদেশে বইতে থাকে উল্টো হাওয়া এবং বাংলাদেশে আস্তে আস্তে জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটে।

এই সময়ে জঙ্গিদের বিভিন্নভাবে মদদ ও আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়া হয়েছিল গণতন্ত্রের লেবাসে। এই দলের নাম বিএনপি। আসলে তারা ছিল জঙ্গিবাদের গডফাদার। তাদের কারণেই বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের ডালপালা ডানা মেলেছে।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ছিলেন জঙ্গিদের সব থেকে বড় গডফাদার। তিনি বাংলাদেশের সংবিধান থেকে ধর্মনিরপেক্ষতাকে উপড়ে ফেলেছিলেন। সাম্প্রদায়িক রাজনীতিকে শুরু করার অনুমতি দিয়েছিলেন এবং ৭১ এর যুদ্ধাপরাধীদের সংগঠন জামায়াতকে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছিলেন। এখান থেকেই বাংলাদেশের জঙ্গিবাদের উত্থান পর্বের শুরু বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের জঙ্গিবাদের আরেক গডমাদার। তিনি জঙ্গিদের লালন করেছিলেন তার রাজনৈতিক মসনদ পাকাপোক্ত করার জন্য। বিভিন্ন জঙ্গিসংগঠনের সঙ্গে তিনি সম্পর্ক গড়েছিলেন এবং ২০০১ সালের আগে এসেই তাদের এই পারস্পারিক সম্পর্ক প্রকাশ হয়ে যায়। একাধিক জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে বিএনপির প্রকাশ্য সম্পর্ক ছিলো। ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর ২০ ট্রাক অস্ত্র আসা বা একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলা- সবই জঙ্গি যোগসাজশে হয়েছে বলে তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়। সুতরাং বাংলাদেশে মূলধারার রাজনীতিতে জঙ্গিবাদকে ঠাঁই দেয়ার মূল কাজটি করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।

তারেক জিয়া বাংলাদেশে এখনো যে জঙ্গি তৎপরতা চলছে এবং জঙ্গিবাদকে পৃষ্ঠপোষকতা দেয়া হচ্ছে, তার সব থেকে বড় গডফাদার। তারেক জিয়া নিজে সরাসরিভাবে জঙ্গিবাদের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন এবং ছিলেন এরকম বহু তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে। একাধিক জঙ্গি তৎপরতার সঙ্গে তার সংযোগ পাওয়া গেছে। বাংলাদেশে যতোগুলো জঙ্গি সংগঠন আছে তাদের অর্থ সাহায্য দেয়া এবং তাদের ব্যবহার করার ক্ষেত্রে তারেক জিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে বলে মনে করেন অনেকে। একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার সময়ে তিনি পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠনকে ব্যবহার করেছিলেন। এছাড়া ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বাংলাদেশের ভূমি ব্যবহার এবং তাদের বাংলাদেশে কাজ করতে দেয়ার অনুমতি দেয়ার ক্ষেত্রেও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কাজ করেছেন। এখনো বাংলাদেশের বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে তারেক জিয়ার যোগাযোগ রয়েছে বলে জানা যায়।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি