বুধবার ১২ অগাস্ট ২০২০



চলে গেলেন শফিউল বারী বাবু, দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা দেয় না বিএনপি!


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
29.07.2020

নিউজ ডেস্ক: স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি শফিউল বারী বাবু মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ভোর ৪টায় রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে মারা গেছেন। ২০ দিন ধরে বাবু অসুস্থ ছিলেন বলে জানা গেছে। তবে অসুস্থ অবস্থায় বাবুর ঠিকঠাক খোঁজ নেয়নি বিএনপির হাইকমান্ড, এমনটাই অভিযোগ তার আত্মীয়-স্বজনদের। দলের প্রতি অনেক অভিমান-অভিযোগ নিয়ে অবহেলায় মারা গেছেন বাবু। মারা যাওয়ার দলের শীর্ষ নেতারা দায় এড়াতে কান্নাকাটি করছেন বলেও অভিযোগ উঠছে।

একাধিক সূত্র বলছে, বিএনপিতে যে কজন নিবেদিত ও নির্যাতিত নেতা আছেন, তাদের মধ্যে শফিউল বারী বাবু অন্যতম ছিলেন। দলের জন্য আন্দোলন করতে অনেকবার কারাবরণও করেন বাবু। কিন্তু কোনোবারই তার সহায়তায় এগিয়ে আসেনি বিএনপির হাইকমান্ড। প্রতিবারই নিজ খরচে জামিন নিতে হয়েছিল তাকে। এরপরও তিনি দলের জন্য নীরবে-নিভৃতে কাজ করে যাচ্ছিলেন। সর্বশেষ কিছু বিষয়ে দলের শীর্ষ নেতাদের সাথে মতবিরোধ সৃষ্টির কারণে বিএনপির রাজনীতি থেকে দূরে ছিলেন। দেশব্যাপী স্বেচ্ছাসেবক দলের বিভিন্ন ইউনিটের কমিটিতে স্থায়ী কমিটির কয়েকজন নেতার নগ্ন হস্তক্ষেপ, স্বজনপ্রীতির মতো বিষয় নিয়ে মনঃক্ষুণ্ণ ছিলেন বাবু। তবে সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, চলতি বছরের শুরু থেকেই তিনি দলীয় ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছিলেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

পরিচয় গোপন রেখে বাবুর এক আত্মীয় বলেন, দলের জন্য অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন বাবু ভাই। কিন্তু বিএনপির তরফ থেকে তাকে মূল্যায়ন করা হয়নি। শেষের দিকে এসে দলের প্রতি তার অনেক অভিমান জমেছিল বুকে। তার খোঁজ-খবর রাখতেন না দলের সিনিয়র নেতারা। যার কারণে তিনি মানসিক যন্ত্রণায় ভুগতেন। অনেক অবহেলা ও অনাদরে চলে গেলেন বিএনপির এই নিবেদিত নেতা। আর নিজেদের অবহেলা লুকাতে এখন বিএনপির সিনিয়র নেতারা কান্নাকাটি করছেন, প্রলাপ করছেন। দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা দেয় না বিএনপি।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি