সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১



ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের শপথ রাজনৈতিক বেইমানি ও অনভিপ্রেত, বললেন মওদুদ আহমেদ


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
30.01.2019

নিউজ ডেস্ক: একাদশ সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মাত্র ৭টি আসন নিয়ে জয়ী হয় জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপ্রত্যাশিত পরাজয়ে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগতে থাকা ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচিত সাংসদরা শপথ নিয়ে সংসদে যেতে অনীহা প্রকাশ করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত ঐক্যফ্রন্ট তথা গণফোরামের ব্যানারে জয়ী দুজন সদস্য শপথ নিতে রাজি হয়েছেন। তবে শপথ গ্রহণ নিয়ে শুরু হয়েছে ঐক্যফ্রন্টে এক শীতল দ্বন্দ্ব। বিএনপির সিনিয়র নেতা মওদুদ আহমেদের বরাতে তথ্যের সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

এদিকে, বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে এসেছে যে, গণফোরাম সদস্যদের শপথ নেওয়ার বিষয়ে কিছু জানে না বিএনপি। দলটির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ২৮ জানুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে এমন দাবি করেছেন। জানা গেছে, রিজভী আহমেদের এমন দাবির পর ঐক্যফ্রন্টে শরিক দলগুলোর মধ্যে শুরু হয়েছে নানান আলোচনা-সমালোচনা। অনেকেই গণফোরামের দুজন নেতার শপথ নেয়ার সিদ্ধান্তকে বেইমানি এবং স্বার্থপরতার সঙ্গে তুলনা করছেন। ক্ষমতার আভাস পেয়েই দুজন নেতা বিএনপিকে মাঝপথে ছেড়ে সুযোগ সন্ধানীর পরিচয় দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।

গণফোরামের দুজন নেতার শপথ নেয়ার বিষয়টিকে অনভিপ্রেত এবং প্রতারণার শামিল দাবি করে বিএনপি নেতা মওদুদ আহমেদ বলেন, নির্বাচনে অপ্রত্যাশিত পরাজয়ের পর কিন্তু ড. কামালদের সঙ্গে বিএনপির কথা হয়েছিল সংসদ বর্জন করার। কিন্তু রাজনীতিতে শেষ বলে কিছু নেই- তা আবারও প্রমাণ হলো। আমি কিন্তু শুরু থেকেই ড. কামালের বিষয়ে তারেক রহমান এবং বিএনপির নীতি নির্ধারকদের সতর্ক করেছিলাম। দীর্ঘদিন কিন্তু ড. কামালরা ক্ষমতার স্বাদ পাননি। ঐক্যফ্রন্ট যে বিএনপিকে বিপদে ফেলবে সেটি নিয়ে কিন্তু আমার সংশয় ছিল। সেই সংশয় সত্যে রূপ নিলো। রাজনীতিতে সহজেই কাউকে বিশ্বাস করা উচিত নয়। সংসদে গিয়ে তারা সংখ্যালঘু হয়ে এক কোণায় পড়ে থাকবেন। মাঝখানে অবশ্য সরকারি অনেক সুযোগ-সুবিধাই পাবেন তারা। তবে শেষ বয়সে বেইমানির রাজনীতির জন্য ঘৃণিত হবেন তারা।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি