সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০
  • প্রচ্ছদ » স্বাস্থ্য » ‘স্বাস্থ্যসেবা ও সুরক্ষা আইন‘ খসড়া চূড়ান্ত হয়েছে, বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী



‘স্বাস্থ্যসেবা ও সুরক্ষা আইন‘ খসড়া চূড়ান্ত হয়েছে, বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
10.02.2020

নিউজ ডেস্ক: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. জাহেদ মালেক বলেছেন, নকল-ভেজাল ওষুধ বিক্রির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে সরকার। এ লক্ষ্যে চিকিৎসকদের কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও রোগীদের মানসম্মত চিকিৎসা প্রদানসহ ওষুধ আইনকে আরও যুগোপযোগী এবং কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা রেখে ‘স্বাস্থ্যসেবা ও সুরক্ষা আইন ২০১৯‘ খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে।

এম আবদুল লতিফের এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি জেলা সদর হাসপাতালগুলোতে আইসিইউ ইউনিট স্থাপনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর ডিপিপি প্রণয়নের কার্যক্রম চলমান আছে।

শিগগিরই এটি অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে। রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদে মন্ত্রীদের জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে টাঙ্গাইল-৬ আসনের আহসানুল ইসলামের (টিটু) প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক একথা জানান।

অধিবেশনে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন। (রোববার) প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

সংরক্ষিত আসনের গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকারের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, দেশে বর্তমানে অটিস্টিক শিশুর সংখ্যা ৫০ হাজার ৫০০ জন।

আওয়ামী লীগের সদস্য বেনজীর আহমেদের এক প্রশ্নের উত্তরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়নের চলমান প্রক্রিয়া গতিশীল রাখতে মানুষকে সুস্থ ও নেশামুক্ত রাখতে হবে। তামাক থেকে দূরে সরিয়ে আনতে হবে। এজন্য সবার সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রয়োজন। নকল-ভেজাল ওষুধ উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়ে আসছে।

সংরক্ষিত আসনের খ. মমতা হেনা লাভলীর প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, তামাক সেবনজনিত রোগে দেশে বছরে ১২ লাখ মানুষ আক্রান্ত হয়। এর মধ্যে তিন লাখ ৮২ হাজার মানুষ অকালে পঙ্গুত্বের শিকার হয়। তামাকজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রতি বছর এক লাখ ৬২ হাজারের বেশি মানুষ মারা যায়।

মন্ত্রী বলেন, নকল ও ভেজাল ওষুধ উৎপাদন এবং বিক্রির দায়ে ৩৯ জন আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড এবং ৪৪টি প্রতিষ্ঠান সিলগালা করা হয়েছে। জব্দ ও ধ্বংস করা হয়েছে প্রায় ৩২ কোটি টাকা মূল্যের নকল-ভেজাল ওষুধ। বিদ্যমান ওষুধ আইনকে আরো যুগোপযোগী ও কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা রেখে প্রস্তাবিত আইন অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন।

২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে খসড়া রোডম্যাপ প্রণয়ন করা হয়েছে বলে মন্ত্রী জানান।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি