শুক্রবার ২ অক্টোবর ২০২০
  • প্রচ্ছদ » Lead 3 » বেগম জিয়াকে নিয়ে বিএনপির ভার্চুয়াল মিটিং, খোশগল্প ও মিথ্যাচারে বিরক্ত দর্শক!



বেগম জিয়াকে নিয়ে বিএনপির ভার্চুয়াল মিটিং, খোশগল্প ও মিথ্যাচারে বিরক্ত দর্শক!


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
10.09.2020

নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতি, দুঃশাসন, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অন্যান্য রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের জন্য ২০০৭ সালে ২ সেপ্টেম্বর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে গ্রেফতার করে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার। যার কারণে এদিন সেপ্টেম্বর বেগম জিয়ার কারাবন্দী দিবস নামে কথিত দিবস পালন করে বিএনপি। এবারও বেগম জিয়ার কারাবন্দী দিবসের নামে ভার্চুয়াল মিটিং করেছে বিএনপি। তবে আলোচনার নামে সরকারি দলকে দোষারোপ, নিজেদের অপকর্ম অন্যের ঘাড়ে চাপানো, খোশ গল্প ও মিথ্যাচার করায় অনলাইনে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে দলটি।

জানা গেছে, বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বেগম জিয়ার কারাবন্দী দিবসের নামে ভার্চুয়াল আলোচনা করেছে বিএনপি। এই আলোচনায় যুক্ত ছিলেন লন্ডনে পলাতক বিএনপির ভারপ্রাপ্ত তারেক রহমান। আলাল, রিজভী আহমেদের মতো জুনিয়র নেতারা শুরুতে আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকারবিরোধী নানা গুজব ছড়ান এবং বেগম জিয়ার কুকর্ম ঢাকতে নানা গল্প সাজান। বেগম জিয়ার দুর্নীতি, অপকর্ম, দুঃশাসন, রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড ও ভুল ঢাকতে নির্লজ্জ চাটুকারিতা করেন তারা। বেগম জিয়ার কারাবন্দী দিবসে তার প্রশংসা করে তারেক রহমানে দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন তারা। পরবর্তীতে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, নজরুল ইসলাম খান, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এমনকি মির্জা ফখরুল ইসলামও বেগম জিয়ার অপরাধ আড়াল করতে নানা মনগড়া গল্প বলেন। কিন্তু বেগম জিয়ার কারণে বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদের বিস্তার এমনকি রাষ্ট্রীয় দুর্নীতির বিষয়ে কোন কথাই বলেননি তারা। বেগম জিয়াকে সংগ্রামী নেত্রী হিসেবেও তুলে ধরতে তারা চাটুকারিতার প্রতিযোগিতায় নামেন। বেগম জিয়া সম্পর্কে দলের সিনিয়র নেতাদের মিথ্যাচার, গুজব ও সরকারকে তিরস্কার করার মতো রুটিন ওয়ার্কের কারণে ভার্চুয়াল আলোচনায় খুব নগণ্য সংখ্যক দর্শক ছিলো। বিরক্তিকর একঘেয়েমি আলোচনার কারণে বেশিরভাগ দর্শক লাইভ ছেড়ে চলে যান। অনেকেই অনলাইনে খোশগল্পের নামে বিএনপির এমন অলস আড্ডার তীব্র সমালোচনাও করেন।

বিএনপির ভার্চুয়াল আলোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, বেগম জিয়ার অপকর্ম আড়াল করতে বিএনপি নানা কৌশল অবলম্বন করে। বিএনপি নেতারা মনে করেন, আলোচনা করে তারা বেগম জিয়ার অতীত অপকর্মগুলো ঢেকে রাখবেন। কিন্তু মানুষ বেগম জিয়া ও তারেক রহমানের দুর্নীতি অপকর্মের বিষয়ে সব কিছুই জানে। সুতরাং বিএনপি নেত্রীকে ভালো বানানোর চেষ্টা বিফলে যাবেই। যতই আলোচনা সভা করুক, বেগম জিয়া ও বিএনপির অপকর্ম আড়াল করা সম্ভব নয়। রাজনীতিকে জুম মিটিং, আলোচনার টেবিলেই সীমাবদ্ধ রেখেছে বিএনপি। বিএনপির আলোচনা মানেই মিথ্যাচার ও গুজব। যা বরাবরই জনগণ প্রত্যাখ্যান করে।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি