বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর ২০২০
  • প্রচ্ছদ » Lead 1 » ধর্ষণবিরোধী প্রতিবাদকে সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ দিতে দেলোয়ারের উস্কানি



ধর্ষণবিরোধী প্রতিবাদকে সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ দিতে দেলোয়ারের উস্কানি


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
08.10.2020

নিউজ ডেস্ক: আবারও রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী বক্তব্যের মাধ্যমে অনলাইনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা করছেন কানাডায় অবস্থানকারী অবসরপ্রাপ্ত মেজর দেলোয়ার হোসেন। ৭ অক্টোবর ‘হিউম্যানিটি ফর বাংলাদেশ’ নামক ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে এসে রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী উস্কানিমূলক বক্তব্য দেন সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা। জানা গেছে, বিএনপি-জামায়াতের পেইড এজেন্ট হয়ে কাজ করছেন দেলোয়ার। আর মিথ্যাচারপূর্ণ উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়ে দেশে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁয়তারা করছেন তিনি।

জানা গেছে, ৭ অক্টোবরের ফেসবুক লাইভে এসেই দেলোয়ার রাষ্ট্র, সরকার ও সাম্প্রতিক ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে নানা উস্কানিমূলক কথা বলেন। সত্য-মিথ্যা যাচাই বাছাই না করেই দেলোয়ার তার বক্তব্যে সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেন। দেশে ঘটে যাওয়া ঘটনার রেষ ধরে তিনি সরাসরি এর জন্য সরকারকে দোষারোপ করেছেন। বিএনপি-জামায়াতের অনুগত ডিজিটাল জঙ্গি দেলোয়ার নানা কায়দায় সরকারকে দোষারোপ করে বিদ্বেষমূলক কথা বলেছেন, যার বেশির ভাগই অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে। দেলোয়ার বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এলেই নাকি দেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের নারীরা বেশি ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার হন। অথচ তথ্যসূত্র বলছে, বিএনপি-জামায়াত শাসনামলেই দেশে সবচেয়ে বেশি নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ভিন্ন ধর্মের মানুষরা। পূর্ণিমা রানী শীলের মতো নিরীহ নারীদের সম্ভ্রনহানীর ঘটনা ঘটিয়ে দেশ ও বিদেশে দুর্নাম কামিয়েছিল বিএনপি-জামায়াতের দোসররা। পাশাপাশি বিএনপি-জামায়াতের অতীত অপকর্মের দায় এড়াতে তিনি কৌশলে লাইভে সরকারকে দোষারোপ করেছেন। দেশে চলমান ধর্ষণ, নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় প্রতিবাদী মানুষের মনে সরকারবিরোধী মনোভাব গড়ে তুলতে অনলাইনে মেন্টরের ভূমিকা পালন করছেন তারেক রহমানের দালালখ্যাত দেলোয়ার হোসেন। বিএনপি-জামায়াতের অর্থায়নে ধর্ষণবিরোধী প্রতিবাদকে সরকারবিরোধী আন্দোলনের রূপ দিতে উস্কানি দিচ্ছেন তিনি।

জানা গেছে, এর আগেও বিভিন্ন সময়ে তিনি সরকারকে আক্রমণ করে নানা মিথ্যাচার করেছেন দেলোয়ার। এবারও ধর্ষণের মতো ইস্যুকে কাজে লাগিয়ে তারেক রহমানের কুপরামর্শে অনলাইনে রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী মনোভাব গড়ে মিথ্যাচার করছেন তিনি। এছাড়া, আপদামস্তক বাটপার দেলোয়ার সম্প্রতি লুকাস ব্যাটারি কর্তৃপক্ষের কাছে সরকারের একটি মহল থেকে ৫শ কোটি টাকা চাঁদা দাবির নামেও গুজব ছড়িয়েছেন। দেলোয়ারের সবচেয়ে বড় প্রতারণা হলো, তিনি লাইভ অনুষ্ঠানে কৌশলে কখনো তারেক রহমান, কখনো বিভিন্ন সাংবাদিকদের ভিডিও ফুটেজ কেটে লাইভে সংযুক্ত করে সেটিকে গ্রহণযোগ্য করে তোলার চেষ্টা করেন। ভিডিও ফুটেজ কেটে মিথ্যাচার করায় ৬ অক্টোবর ডয়েচে ভেলে’র বাংলাদেশি প্রতিনিধি সাংবাদিক হারুন উর রশীদ রাজধানীর কলাবাগান থানায় একটি জিডি করেছেন।

প্রবাসে বসে বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক ভিত্তিহীন ও বানোয়াট প্রচারণায় ব্যস্ত বিএনপি-জামায়াতের এজেন্ট দেলোয়ারের প্রতারণার বিষয়ে দেশবাসীকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি