সোমবার ২৬ অক্টোবর ২০২০
  • প্রচ্ছদ » Lead 2 » ঢাকা-১৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী জাহাঙ্গীর, ভুল সিদ্ধান্ত বলছেন নেতা-কর্মীরা!



ঢাকা-১৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী জাহাঙ্গীর, ভুল সিদ্ধান্ত বলছেন নেতা-কর্মীরা!


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
11.10.2020

নিউজ ডেস্ক: জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে শেষ পর্যন্ত ঢাকা-১৮ আসনের উপ-নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন বিতর্কিত এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। তিনি ঢাকা মহানগর যুবদল উত্তরের সভাপতি। এদিকে গোপন সূত্র বলছে, কোটি টাকার বিনিময়ে দলীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ম্যানেজ করে মনোনয়ন বাগিয়ে নিয়েছেন জাহাঙ্গীর। অজনপ্রিয়, অগ্রহণযোগ্য ও বিতর্কিত প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়ে দলীয় হাইকমান্ড ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে-এমনও সমালোচনা শুরু হয়েছে দলটির অভ্যন্তরে। জাহাঙ্গীরের অসদাচরণের জন্য দলের অনেক কর্মীই তাকে ভোট দেবে না, এমন গুঞ্জনও চাউর হচ্ছে।

বিএনপি ঘনিষ্ঠ একাধিক গোপন সূত্র বলছে, ঢাকা-১৮ আসনের উপ-নির্বাচনের মনোনয়ন নিয়ে ব্যাপক জল ঘোলা হয়েছে। এই আসনের মনোনয়ন নিয়ে মারামারি ও সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে রাজধানীর গুলশান পার্টি অফিসের সামনে। কফিল উদ্দিনের সমর্থকদের মারধর করে রক্তাক্ত করেছিল জাহাঙ্গীরের লোকজন। এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন ও এম কফিল উদ্দিন আহম্মেদ সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনায় মনোনয়ন নিয়ে জট বেঁধে যায়। বিষয়টি নিয়ে দলের কেন্দ্রীয় নেতারা বিভক্ত হয়ে পড়েন। তবে তারেক রহমানসহ সব সিনিয়র নেতাদের ম্যানেজ করে বিতর্কিত জাহাঙ্গীর মনোনয়ন বাগিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠছে। কোটি টাকার মনোনয়ন বাণিজ্যেরও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

যদিও জাহাঙ্গীর বিরোধীরা বলছেন, হাইকমান্ডকে হাত করে মনোনয়ন পেয়েছেন তিনি। জাহাঙ্গীরকে মনোনয়ন দিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। বিতর্কের কারণে খোদ দলীয় লোকজনই তাকে ভোট দিবে কিনা, সেটি নিয়েও দলের মধ্যে দ্বিধা সৃষ্টি হয়েছে। ঢাকা-১৮ আসনে কফিল উদ্দিন অনেক বেশি জনপ্রিয় ও জনবান্ধব নেতা। কিন্তু লোভে পড়ে জনপ্রিয় প্রার্থীকে বাদ দিয়ে বিতর্কিত জাহাঙ্গীরকে মনোনয়ন দিয়ে পরাজয়ের পথ প্রশস্ত করলো বিএনপি।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে মনোনয়ন বঞ্চিত এম কফিল উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, ৩০ বছরের রাজনীতি করে এই ফল পেলাম। বিএনপি কখনই জনপ্রিয় ও জনবান্ধব নেতাদের মূল্যায়ন করেনি। এই ভুলের ফল ভোগ করতে হবে বিএনপিকে।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি