শুক্রবার ২৭ নভেম্বর ২০২০
  • প্রচ্ছদ » Lead 3 » ১৭টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় বিএনপির নেতাকর্মীরা!



১৭টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় বিএনপির নেতাকর্মীরা!


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
15.11.2020

নিউজ ডেস্ক: ঢাকা-১৮ আসনের উপ-নির্বাচন চলাকালীন একটি ভোট কেন্দ্রের সামনে অন্তত ১৭টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় বিএনপির নেতাকর্মীরা। এ সময় আতঙ্কিত হয়ে দিগ্বিদিক ছোটাছুটি করার সময় পড়ে গিয়ে আহত হন বেশ কয়েকজন ভোটার।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় ভোট শুরুর পর সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটের দিকে উত্তরা ৮ নম্বর সেক্টরের মালেকা বানু আদর্শ বিদ্যানিকেতন কেন্দ্রের সামনে অনেকগুলো ককটেল ছোড়ে যুবদল কর্মীরা। এর মধ্যে ১৭টি ককটেল বিস্ফোরিত হয়।

এ সময় আতঙ্কিত হয়ে ভোটাররা দিগ্বিদিক ছুটতে শুরু করলে পড়ে গিয়ে কয়েকজন আহত হন। পরে অবিস্ফোরিত ককটেলগুলো পানিতে ভিজিয়ে নিষ্ক্রিয় করা হয়।

পরিচয় গোপন করার শর্তে এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, মালেকা বানু স্কুলের সামনে ককটেল নিক্ষেপের যেসব ঘটনা ঘটেছে সেখানে স্থানীয় যুবদলের কিছু নেতা-কর্মীর উপস্থিতি দেখা গেছে। ঘটনার পরপরই তারা সেখান থেকে দৌড়ে পালিয়ে যায়।

তিনি বলেন, মূলত ভোট কেন্দ্রে আতঙ্ক সৃষ্টি করার জন্যই এ ধরনের ন্যক্কারজনক ও নাশকতামূলক ঘটনা ঘটানো হয়েছে। এ ঘটনার পর এলাকার ভোটাররা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তারা আর ভোট দিতে পারেননি।

ঘটনার পর মালেকা বানু আদর্শ বিদ্যানিকেতন স্কুল কেন্দ্র পরিদর্শনে আসেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী হাবীব হাসান। তিনি বলেন, আমার প্রতিপক্ষ ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ভোটারদের ভয় দেখিয়ে ভোট দিতে বিরত রাখতে চান। কারণ তারা জানেন, জনগণ নৌকায় ভোট দেবেন, ধানের শীষে নয়।

এদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ভাষ্য, আন্দোলন সৃষ্টির পটভূমি তৈরি করতেই এ ধরনের কাণ্ড ঘটানো হয়েছে। ভোটগ্রহণের সময় ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুন লাগানোর ঘটনার ফলে বিএনপি আশা করছে, সারাদেশে একটা অস্থিরতা তৈরি হবে এবং জ্বালাও-পোড়াও রাজনীতির মাধ্যমে সরকারকে বেকায়দায় ফেলা সম্ভব হবে।

তারা বলেন, বিএনপি বারবারই ভুল পথে হাঁটছে। সহিংস ঘটনার মধ্য দিয়ে যতবারই সরকারকে বিব্রত করতে চেয়েছে ততবারই জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করেছে। এ ঘটনার মধ্য দিয়ে সেই ধ্বংসাত্মক ও হিংসাত্মক রাজনীতির পথে আবারো পা বাড়ালো বিএনপি।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি