বুধবার ২৫ নভেম্বর ২০২০
  • প্রচ্ছদ » Lead 2 » চিম্বুক পাহাড় নিয়ে প্রতিক্রিয়াশীলদের গুজব ও বাস্তবতা



চিম্বুক পাহাড় নিয়ে প্রতিক্রিয়াশীলদের গুজব ও বাস্তবতা


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
17.11.2020

নিউজ ডেস্ক: বান্দরবানের চিম্বুক পাহাড়ে ম্রো সম্প্রদায়ের ৮ হাজার মানুষ উচ্ছেদ হবে বলে সাম্প্রতিক সময়ে যেসব প্রচারণা চলছে তা গুজব বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে। পর্যটন কেন্দ্র স্থাপনের নামে স্থানীয়দের উৎখাতের মনগড়া তথ্য দিয়ে কতিপয় গোষ্ঠী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা উস্কানি দিচ্ছে। ম্রো সম্প্রদায়ের মানুষদের ক্ষতি করে কোনো স্থাপনা তৈরি করা হবে না বলেও জানা গেছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে পর্যটন কেন্দ্র স্থাপন নিয়ে চালানো হচ্ছে গুজব।

জানা গেছে, তিন পার্বত্য জেলায় প্রতি বর্গ কিলোমিটারে বসবাস করে ১০১ জন মানুষ। সেই তুলনায় সমতলে বসবাস করে ১ হাজার ১শ জন। এই সমতলের এমন গ্রাম আছে যে গ্রামে ৮ হাজার মানুষ বসবাস করে না। আর পাহাড়ে এমন ইউনিয়ন আছে যেখানে মোট ৮ হাজার জনসংখ্যা নেই। পুরো ইউনিয়ন জুড়ে আট হাজার মানুষের বসবাস নেই।

অথচ ফেসবুকসহ অন্যান্য মাধ্যমে কিছু প্রতিক্রিয়াশীল চক্র দাবি করছে যে, পর্যটন কেন্দ্র স্থাপনের নামে চিম্বুক পাহাড়ের পাদদেশে ম্রো সম্প্রদায়ের মানুষদের জোরপূর্বক উচ্ছেদ করা হবে। অথচ যারা অভিযোগ করছেন এবং অভিযোগের সমর্থনকারীরা কিন্তু চিম্বুক পাহাড়ের আশপাশে বসতির কোনো দেখাতে পারছেন না। পর্যটন কেন্দ্র হলে কোন কোন ঘরবাড়ি উচ্ছেদ হবে বলে যেসব অপপ্রচার করা হচ্ছে তার কোনো সত্যতা দেখাতে পারবেন না। অনেকেই চিম্বুক পাহাড়ের সঠিক অবস্থান, ভৌগোলিক অবস্থান না জেনেই মিথ্যাচার করছেন। স্থানীয় কারো ক্ষতি করে পর্যটন কেন্দ্র স্থাপন করবে না সরকার বা সংশ্লিষ্টরা। মূল সমস্যা হলো, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ভূলুণ্ঠিত করতে একটা গোষ্ঠী সব সময় অপকর্মে লিপ্ত রয়েছে। চিম্বুক পাহাড় নিয়ে এসব তাদের মিথ্যাচার। পাহাড়ে সাধারণ জনগণের চলাচল বৃদ্ধি পাবে এমন কোন কাজ সেই গোষ্ঠী হতে দিতে চায় না। তাই তো যেকোনো উন্নয়নমুলক কাজে বাঁধা প্রদান করে। তবে তাদের সেই ষড়যন্ত্র সফল হবে না। তাই চিম্বুক পাহাড় নিয়ে চলমান গুজবে কান না দেয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি