শুক্রবার ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২১



৩ কোটি নাগরিককে ভ্যাকসিন দেওয়ার পরিকল্পনা কানাডার


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
13.02.2021

আগামী মাসের শেষ নাগাদ ৩ কোটি নাগরিককে ভ্যাকসিন দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে কানাডার। জুনের শেষে ভ্যাকসিনেশনের আওতায় আনা হবে আরও এক কোটি কানাডিয়ানকে। এরপর সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ চাইলে যে কেউ ভ্যাকসিনটি নিতে পারবেন।

উল্লেখ্য, কানাডায় গত ১৪ ডিসেম্বর থেকে ভ্যাকসিন প্রয়োগ শুরু হয়েছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভ্যাকসিন পেয়েছেন সম্মুখসারির স্বাস্থ্যকর্মী, লং-টার্ম কেয়ার হোমের বাসিন্দা ও কর্মীরা। ইতিমধ্যে কানাডা সরকার নাগরিকদের আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে সকলের ভ্যাকসিন প্রয়োগ সম্ভব হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন।

ভ্যাকসিন ব্যবহারের অনুমোদন চেয়ে কানাডায় প্রথম আবেদন করে অ্যাস্ট্রাজেনেকা এবং পুরো ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ যুক্তরাজ্য, মেক্সিকো ও ভারত এটির অনুমোদন দিয়েছে।
জনসন অ্যান্ড জনসন তৃতীয় ধাপের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের ফলাফল ঘোষণার পর চতুর্থ ভ্যাকসিন অনুমোদনের বিষয়টিও সামনে চলে এসেছে। সিঙ্গেল ডোজের ভ্যাকসিনটির অনুমোদন চেয়ে গত ৩০ নভেম্বর হেলথ কানাডার কাছে আবেদন জমা দেয় জনসন অ্যান্ড জনসন।

কলামিস্ট, উন্নয়ন গবেষক ও সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষক মোঃ মাহমুদ হাসান এর মতে, ‘মানুষের জীবন আর অর্থনৈতিক সুরক্ষায় কোভিড-১৯ এর শুরু থেকেই জাস্টিন ট্রুডোর সরকার আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যাচ্ছে, সাধারণ জনগোষ্ঠীর মধ্যেও এ নিয়ে প্রশান্তি আছে কিন্তু ভ্যাক্সিন প্রাপ্তির বাস্তবতাটা কিছুটা হলেও ভিন্ন’।

আমেরিকা ও কানাডায় সম্মুখসারীর যোদ্ধারা একই দিনে ভ্যাক্সিন প্রাপ্তি শুরু হলেও কানাডাতে সাধারণ পর্যায়ে এখনও আসেনি। মার্চের মধ্যে তিন কোটি মানুষ ভ্যাক্সিন পাওয়ার ঘোষণাটি সমাজে স্বস্তি নিয়ে আসবে।

অন্যদিকে, কানাডার প্রধান চারটি প্রদেশ অন্টারিও, বৃটিশ কলম্বিয়া, আলবার্টা, এবং কুইবেকে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে হাসপাতালগুলোতে ব্যাপক হারে চাপ পড়ছে। সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মানাসহ সরকারি বিভিন্ন বিধিনিষেধ দেওয়া সত্ত্বেও করোনাভাইরাস কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না।

উল্লেখ্য, দেশটির সরকার করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুততম সময়ে কিভাবে নাগরিকদের ভ্যাকসিনের আওতায় আনা যায় তার ওপর জোর গুরুত্বারোপ করছে।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, কানাডায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৮ লাখ ২০ হাজার ৩০৬ জন, মৃত্যুবরণ করেছেন ২১ হাজার ১৬২ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ৬২ হাজার ২০০ জন ।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি