বুধবার ২১ এপ্রিল ২০২১
  • প্রচ্ছদ » other important » তাসনীম খলিলদের ‘বাকস্বাধীনতার’ স্যাম্পল নিয়ে ব্যারিস্টার নিঝুম মজুমদাদের স্ট্যাটাস



তাসনীম খলিলদের ‘বাকস্বাধীনতার’ স্যাম্পল নিয়ে ব্যারিস্টার নিঝুম মজুমদাদের স্ট্যাটাস


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
27.02.2021

যেন ইস্যুর অপেক্ষাতেই থাকে দেশবিরোধী চক্ররা। দেশে নাকি বাকস্বাধীনতা নেই, অভিযোগ তাসনীম খলিলদের। দেশের বিভিন্ন গোপন নথি দেশবিরোধী শক্তিকে সরবরাহ করে দেশের মাটিতে গাদ্দার হিসেবে পরিচিত হলে আত্মসম্মানের ভয়ে ২০০৭ সালে দেশ ছেড়ে বিদেশে পলায়ন করে এই তাসনীম খলিল। সুইডেন প্রবাসী এই তাসনীম খলিল গুজব সৃষ্টির কারখানা নেত্র নিউজের সম্পাদক। বিদেশের মাটিতে বসে নিয়মিত দেশের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক পোস্ট দিয়ে বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছেন তিনি। উদ্দেশ্য, দেশের অভ্যন্তরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা। বঙ্গবন্ধু, স্বাধীনতা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে মিথ্যাচার ও গুজবকারীদের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোট অব নিউ সাউথ ওয়েলস এর ব্যারিস্টার প্রবাসী নিঝুম মজুমদার তার ফেসবুক ওয়ালে একটি স্ট্যাটাস শেয়ার করেছেন। বাংলা নিউজ ব্যাংকের পাঠকদের জন্য স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হল:

তাসনিম খলিলদের পরিচালিত I am Bangladeshi ফেসবুক থেকে আপনাদের জন্য কিছু ‘বাকস্বাধীনতার’ স্যাম্পল নিয়ে আসলাম। হ্যাঁ, এই বাকস্বাধীনতার কথাই ওরা আপনাকে বলে বেড়ায়। সুনির্দিষ্টভাবে এই বাক-স্বাধীনতা-ই ওরা আপনার কাছে চায় কিংবা অধিকার বলে দাবী করে।

জাতির জনকের পুরো পরিবারের নির্মম হত্যাকাণ্ড আর রক্তস্রোতে ওদের মন ভরেনি এতটুকুও। এই মানুষটা সারাটা জীবন এই বাংলাদেশের জন্য করেও এই ফলাফল পেয়েছে তাসনিমদের কাছ থেকে।

এই যে আপনার কানের পাশে এসে সারাক্ষন বলছে, ‘আমি কথা বলার স্বাধীনতা চাই’, ‘আমি লেখার স্বাধীনতা চাই’, ‘আমি বলার স্বাধীনতা চাই’। ঠিক এই স্বাধীনতাটাই এরা চায়।
এরা চায় ইচ্ছে মত নোংরামো করার স্বাধীনতা, ইচ্ছেমত অসভ্যতা করার স্বাধীনতা, ইচ্ছেমত মিথ্যা বলবার স্বাধীনতা।

CIA-এর ফুট সোলজারদের বুক পিঠ বলতে কিছু নেই। বঙ্গবন্ধুকে মারতে যেমন CIA এর সামান্য দ্বিধা হয় নাই, ঠিক এদের ফুট সোলজারদেরও সেই একই অবস্থা। যে কোনো উপায়ে এরা বঙ্গবন্ধুকে, বঙ্গবন্ধুর লেগেসিকে শেষ করে দিতে চায়।

CIA সেদিন দুই বোনকে মারতে পারে নাই। কিন্তু তাদের সেই অধরা স্বপ্ন এখন বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করছে তাসনিমদের দিয়ে। আর সেই তাসনিমরা এখন আপনাকে এই বাক-স্বাধীনতার গল্প শোনাবে।

মানে দাঁড়ায়, আপনাকে ওরা খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে রক্তাক্ত করবে, আপনাকে নিয়ে ওরা আদিম অসভ্যতা করবে কিন্তু আপনি ওদের কিছু বললেই সেটা ওদের অধিকারে আঘাত করবে। এই হচ্ছে ওদের দেয়া আপনার প্রতি সূত্র। আপনাকে নাকি এই সূত্র মেনে চলতে হবে।

এইসব নোংরামির নাম কি বাকস্বাধীনতা?
রাষ্ট্র আপনাকে কত ছাড় দেবে? আপনি জাতির জনককে নিয়ে নোঙরামো করবেন, অসভ্যতা করবেন আবার আপনি একই সাথে বাক-স্বাধীনতার ধুয়ো তুলবেন।
দুটো কি একসাথে যায় নাকি যেতে পারে?



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি