রবিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১
  • প্রচ্ছদ » Lead 2 » অর্থ চোরাচালান করায় তারেক-জোবায়দার একাউন্ট আবারো জব্দ



অর্থ চোরাচালান করায় তারেক-জোবায়দার একাউন্ট আবারো জব্দ


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
01.03.2021

নিউজ ডেস্ক : বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী জোবায়দা রহমানের নামে ইংল্যান্ডে থাকা তিনটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মূলত বিভিন্ন দেশ থেকে উক্ত একাউন্ট গুলোতে কোটি কোটি ডলার লেনদেন হওয়ায় যুক্তরাজ্য আদালত একাউন্ট জব্দের নির্দেশ দেন। তবে বিষয়টিকে আমলে নিচ্ছেন না বিএনপি নেতারা। তারা বলছেন, একজন নেতার একাউন্টে বিভিন্ন দেশ থেকে টাকা আসতেই পারে। বিষয়টিকে মানি লন্ডারিং বা অর্থ পাচার বলে চালিয়ে দিয়ে যুক্তরাজ্য আদালত ভুল করছে। যুক্তরাজ্যের মনে রাখা উচিৎ, তারেক রহমানের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের সু-সম্পর্ক রয়েছে। তারা চাইলেই কিছু করা সম্ভব নয়।

মূলত আন্তর্জাতিক মানি লন্ডারিং ও বাংলাদেশ বিরোধী চক্রের সুপারিশে বিদেশের মাটিতে বহাল তবিয়তে আছেন তারেক রহমান। দলটির নেতারাও জানেন তারেক রহমানের বিদেশি খুঁটির জোর। সরকারকে চাপে রাখতে লন্ডন থেকে বিভিন্ন পরিকল্পনা দেশে পাঠানোর শর্তে তিনি বিদেশে রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকতে পারবেন বলেও বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

লন্ডন ভিত্তিক একটি সূত্র বলছে, তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ক্রমাগত চেষ্টা করছে সরকার। কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে দেশে ফিরিয়ে রায় কার্যকর করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে বদ্ধপরিকর সরকার। এদিকে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগকে রাজনৈতিক বলে ব্রিটিশ সরকার, মানি লন্ডারিং চক্র ও বাংলাদেশ বিরোধী মহলের সহমর্মিতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন তারেক। তিনি মনে করেন, রাজনীতি করতে গেলে কিছু ভুল-ত্রুটি হতেই পারে। সেগুলো নিয়ে পড়ে থাকলে তো চলবে না। তাই প্রত্যাবর্তন ঠেকাতে সম্ভাব্য সব কিছুই চেষ্টা করতে হবে।

এই বিষয়ে দলটির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, তারেক রহমান বিদেশে থাকেন নিজ খরচে। তিনি কারো পয়সা চুরি করেননি। আর যদি নিয়েও থাকেন সেটি দলের টাকা। তারেক রহমান কোন গরীব ঘরের সন্তান নন। তার নিজস্ব ব্যবসা-বাণিজ্য ছিল দেশে। বিদেশে গিয়ে তিনি সেই অর্থ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করেছেন। সেখানে তার বন্ধু মহল রয়েছে। বিত্তশালীদের সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে। সুতরাং চাইলেই তাকে দেশে ফেরানো সম্ভব নয়, যদি না তিনি স্বেচ্ছায় দেশে ফিরেন।

তিনি আরো বলেন, লন্ডনে তারেক রহমানের যে অ্যাকাউন্ট আছে সেটা ঐ দেশের আইনের প্রক্রিয়ায় চলছে। কিছু তথ্যগত ঝামেলার কারণে আপাতত ফ্রিজ হয়ে আছে। অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হয়ে গেলেই কেউ অর্থ পাচারকারী হয়ে যায় না।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি