মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০২১



আবারও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে তারেক!


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
02.03.2021

শুরু হলো অগ্নি ঝরা মার্চ। এ মাসেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আর সে মাসের প্রথম দিনেই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে দেশবিরোধী মিথ্যাচারে লিপ্ত হলেন লন্ডনে পলাতক ফেরারি আসামি ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার (১ মার্চ) দুপুরে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে দলীয় অনুষ্ঠান মালার উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথি ও উদ্বোধকের বক্তব্যে দুর্নীতির এই বরপুত্র মিথ্যাচার করে বলেন, সরকার দেশের ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রেখেছে। কিন্তু প্রকৃত সত্য হলো, ক্ষমতাসীন বর্তমান সরকার স্বীয় কর্ম দিয়ে জনআস্থা অর্জন করায় জনগণ বারবার ভোট দিয়ে তাদের নির্বাচিত করেছে। বিগত অনুষ্ঠিত নির্বাচনগুলোর দিকে তাকালেই মিলবে এই কথার সত্যতা। শুধু তাই নয়,সরকারপ্রধানের প্রাজ্ঞ নেতৃত্বে দেশ অদম্য গতিতে এগিয়ে চলেছে। পৌঁছে গেছে উন্নয়নশীল দেশের কাতারেও। পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও সামাজিক নানা সূচকেও হয়েছে ঈর্ষণীয় অগ্রগতি। যা অনেক দেশের জন্য উদাহরণ।

এছাড়া সর্বশেষ করোনা মোকাবিলাতেও বাংলাদেশ অর্জন করেছে অভূতপূর্ব সাফল্য। আর এসব কর্মতৎপরতায় সরকারের প্রতি মুগ্ধ হয়ে মানুষের জনআস্থা বেড়েছে বহুগুণ। পক্ষান্তরে গাত্রদাহ শুরু হয়েছে দেশবিরোধী বিএনপি-জামায়াত চক্রের। যাদের পালের গোদা তারেক রহমান। তাইতো তিনি দলীয় অনুষ্ঠানের নামে সফল সরকার ব্যবস্থাকে বিতর্কিত করতে মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়েছেন। বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশ-বিদেশে গর্ভমেন্ট অব দ্য মাফিয়া, বাই দ্য মাফিয়া, ফর দ্য মাফিয়া। অথচ, আল-জাজিরার এই মাফিয়া বলার নেপথ্যে রয়েছেন তিনি। প্রধান মাস্টারমাইন্ড ও বিনিয়োগ কর্তা হিসেবে তিনিই রেখেছেন বড় ভূমিকা। তাসনিম খলিল, পিনাকী ভট্টাচার্য, ডেভিড বার্গম্যানদের মতো ‘পেইড এজেন্ট’দের নিয়োগ দিয়েছেন। যাদের কাজই হচ্ছে বিএনপি-জামায়াতের রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে লাগামহীনভাবে সরকারের বিরুদ্ধাচারণ করা।

ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নিয়ে তারেক ওই অনুষ্ঠানে নিজেদের অপকর্ম ঢাকতে গিয়ে সরকারকে দোষারোপ করে আরও বলেন, দেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন বানিয়ে ক্ষমতা থেকে বিদায় নিয়েছিল আওয়ামী লীগ। অথচ প্রকৃত তথ্য হলো, বিএনপি দুর্নীতিতে দেশকে পরপর পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন বানিয়েছিল। আরও বলেন, দেশের টাকা বিদেশে পাচারের কথা। এ কথা বলার অপেক্ষা রাখেনা, জিয়া পরিবারসহ বিএনপি-নেতৃবৃন্দ কিভাবে বিদেশে টাকা পাচার করে অবৈধভাবে গাড়ি-বাড়ি-সম্পত্তির মালিক হয়েছেন। যার প্রমাণ দেশবাসী ইতোপূর্বে বিভিন্ন সময়ে দেখেছে, বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদচিত্রে।

তাই তার কথায় বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানিয়ে দেশের রাজনৈতিক বিজ্ঞজনরা বলছেন, তারেক রহমানরা নিজেদের অতীত অপকর্ম ঢাকতে নানাভাবে সফল সরকারকে দোষারোপ করতে চায়। এমনকি তারা সরকার পতনের রোগে আক্রান্ত হয়ে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের একটি প্রজেক্টও হাতে নিয়েছে। যে প্রজেক্টের অদ্বিতীয় উদ্দেশ্য হচ্ছে, সরকারের বিরুদ্ধে লাগাতার মিথ্যাচার করা। সোমবার (১ মার্চ) দুপুরে তারেকের সরকারের বিরুদ্ধে করা মিথ্যাচারও এই অপপ্রচারের অংশ। এতে প্রভাবিত না হয়ে বরং তাদের সব ষড়যন্ত্রকে রুখে দিতে সরকারসহ দেশবাসীকে সদা-সতর্ক থাকতে হবে।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি