মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০২১
  • প্রচ্ছদ » other important » বিএনপি-জামায়াতকে নিঃশেষ করে দিতে চেয়েছিলেন রেজা কিবরিয়া



বিএনপি-জামায়াতকে নিঃশেষ করে দিতে চেয়েছিলেন রেজা কিবরিয়া


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
06.03.2021

নিউজ ডেস্ক : কামাল হোসেনের গণফোরামে যোগদানের দেড় বছরের মাথায় দলটি ছাড়ার ঘোষণা দিলেন রেজা কিবরিয়া।

২৮ ফেব্রুয়ারি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রেজা কিবরিয়া বলেন, ‘আমি গণফোরামের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে পদত্যাগ করেছি এবং আমার পদত্যাগপত্র দলের সভাপতি ড. কামাল হোসেনের কাছে ইতিমধ্যেই জমা দিয়েছি। এ ছাড়া আমি গণফোরামের দলীয় সদস্যপদ থেকেও ইস্তফা দিয়েছি। মূলত বিএনপির সঙ্গে জোটভুক্ত এই ফ্রন্টের ভবিষ্যৎ অস্পষ্ট বিবেচনায় আমি পদত্যাগ করলাম।’

রেজা কিবরিয়ার এই পদত্যাগের বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের এক অধ্যাপক বলেন, শুরু থেকেই আমার মনে হয়েছিল যে, রাজনৈতিক ফায়দা লুটার উদ্দেশ্যেই জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠন করা হয়েছিল। পরবর্তীতে রাজনৈতিকভাবে হতাশাগ্রস্ত নেতাদের পুনর্বাসন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল ঐক্যফ্রন্ট।

তিনি আরো বলেন, ঐক্যফ্রন্টের ভাব ধারা বিবেচনা করলে দেখা যাবে, সরকারবিরোধী আন্দোলন গড়ে তোলার আড়ালে বিএনপি-জামায়াতকে নিশ্চিহ্ন করার মিশন ছিলো ড. কামালের। বিএনপি-জামায়াতকে মাইনাস করে ড. কামালের নেতৃত্বে নতুন একটি বিরোধী রাজনৈতিক জোট গঠনের দীর্ঘ প্রক্রিয়ায় রেজা কিবরিয়াও প্রলোভনের ফাঁদে পা দিয়েছিলেন। যখন বুঝলেন, এখান থেকে কোনো সুবিধা আদায় করা যাবে না, তখনই কিন্তু সটকে পড়ার সিদ্ধান্ত নিলেন। ঐক্যফ্রন্টের চূড়ান্ত পতন অনুধাবন করেই তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হচ্ছেন। আসলে রুটির ভাগ নিয়ে দ্বন্দ্ব লাগায় কোন্দল বৃদ্ধি পাচ্ছে জোটটিতে।

বিষয়টিকে নিজের মতো ব্যাখ্যা করে ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম নেতা ও নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ঐক্যফ্রন্ট রাজনীতির বৃত্তেই রয়েছে। এখানে আদর্শচ্যুতির কিছু ঘটেনি। বরং যাদের আদর্শ ক্ষণে ক্ষণে পরিবর্তনশীল, তারাই ঐক্যফ্রন্টের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। রাজনীতিতে হতাশ নেতাদের কোনো স্থান নেই। রেজা কিবরিয়া আওয়ামী বীজের লোক। তিনি চেয়েছিলেন বিএনপি জামায়াতকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে। সফল না হতে পেরেই চলে গেছেন। এতে জোটের খুব একটা ক্ষতি হবে না।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি