মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০২১
  • প্রচ্ছদ » Lead 2 » মাদ্রাসা ছাত্রকে পেটানো হুজুর হেফাজতে ইসলামের নেতা



মাদ্রাসা ছাত্রকে পেটানো হুজুর হেফাজতে ইসলামের নেতা


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
10.03.2021

চট্টগ্রামের হাটহাজারীর মারকাযুল কুরআন ইসলামিক একাডেমীর এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয়। পরবর্তীতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য অপসারণের হুমকিদাতা হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের সমর্থক, নাম ইয়াহিয়া।

মঙ্গলবার (৯ মার্চ) বিকালে হেফজ খানার শিক্ষক হাফেজ ইয়াহিয়া মাদরাসায় আসা মায়ের সাথে শিক্ষার্থী দেখা করতে গেলে উক্ত শিক্ষার্থীকে নির্মমভাবে লাঠিপেটা করে। মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি ভাইরাল হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, বছর সাতের এক শিশুকে শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়ে এলোপাতাড়িভাবে অবিরাম পিটিয়ে যাচ্ছে এক হুজুর।

এ প্রসঙ্গে হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, শিক্ষার্থীকে প্রহার করা শিক্ষক ইয়াহিয়া আমাদের সংগঠনের সমর্থক। তবে আমরা এমন নির্যাতন সমর্থন করি না। তার মানে এই নয় যে, আমরা তাকে আমাদের সংগঠন থেকে বহিষ্কার করবো। এটি তার ব্যক্তিগত ব্যাপার।

এ প্রসঙ্গে গার্ডিয়ান প্রকাশনীর কর্ণধার নুর মোহাম্মদ লিখেন, এই জানোয়ারের পূর্ণ ডিটেইলস দিন, আমি মামলা করব। আর যে ব্যক্তি এর সমর্থনে এগিয়ে আসবেন, তার সাথেও রফাদফা হবে ইনশাআল্লাহ। এই জানোয়ার আলিম হতে পারে না, আলিম নামের জালিম।

রুহল আমিন নামে অপর একজন লিখেন, হাটহাজারী উপজেলার কনক কমিউনিটি সেন্টার ও পশু হাসপাতালের পিছনে কামাল পাড়া মারকাযুল কোরআন ইসলামিক একাডেমীতে এক শিশু শিক্ষার্থীকে কথিত শিক্ষকের অমানুষিক নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। আমি ভিডিওটি বুধবার (১০ মার্চ) রাত ১২ টার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন ভাইয়ের ম্যাসেন্জারে দিয়ে বিষয়টি সকালে দেখার অনুরোধ করি। উনি আমাকে অবাক করে রাত ১ টার সময় অভিযান চালিয়ে নির্যাতিত শিশুটির পাশে দাঁড়ান ও প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেন। প্রহার করা শিক্ষকটি যেই দলই করুক না কেন, আমরা তার উপযুক্ত শাস্তি দাবি করছি।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি