বুধবার ২১ এপ্রিল ২০২১



তারেকের অশিক্ষাই কাল হলো বিএনপির


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
18.03.2021

নিউজ ডেস্ক : ১৪ বছর ধরে বিরোধী দলে থেকেও রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে ব্যর্থ হয়েছে বিএনপির। বেগম জিয়ার শিক্ষাগত ও রাজনৈতিক কৌশলের অভাব পূরণে তারেক রহমানকে বিকল্প ভেবেছিল বিএনপি। কিন্তু তারেক রহমানের অপকর্ম ও ভুল রাজনৈতিক দর্শনের কারণে দলটির কপালে জুটেছে বদনাম। ক্ষমতার অপব্যবহার ও সীমাহীন লুটপাটে নিমজ্জিত তারেকের কারণে বেগম জিয়াকেও দুর্নাম ও পরিণাম ভোগ করতে হচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনীতি সচেতনরা।

তারেক রহমানের লালসা ও দুর্নীতির বিষয়ে অভিমত দিয়ে একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, বিএনপির সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ভুল হলো অযোগ্য ও অদক্ষদের গুরুত্বপূর্ণ পদ বিতরণ করা। সেক্ষেত্রে সবচেয়ে অযোগ্য মনে হয়েছে তারেক রহমানকে। পারিবার কেন্দ্রিক রাজনৈতিক দল হওয়ায় তারেক রহমানের মতো অযোগ্য মানুষ দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হতে পেরেছেন।

তিনি আরো বলেন, তারেক রহমানের উপযুক্ত শিক্ষার অভাব রয়েছে। তিনি পরিবার থেকে নৈতিক শিক্ষা পাননি। যার কারণে যৌবনের শুরুতেই বখে গিয়েছিলেন। তার এই গুণ্ডামির স্বভাব পরিণত বয়সের রয়ে গেছে। তারেকের অযোগ্য নেতৃত্বের কারণে বিএনপিকে ভুগতে হচ্ছে। নেতৃত্বে বড় ধরণের পরিবর্তন না আসলে বিএনপিকে নিয়ে আশার কিছু থাকছে না।

তারেক রহমানে বিষয়ে জানতে চাওয়া মাত্র ক্ষেপে যান জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ-ইনু) একজন সিনিয়র নেতা। কিছুটা সময় নিয়ে রাগ সংবরণ করে তিনি বলেন, তারেক প্রথমত অহংকারী ও লোভী রাজনীতিবিদ। পারিবারিক রাজনীতির কারণে আজকে তাকে নেতা মানে কিছু অর্বাচীন মানুষ। নেতৃত্ব দেয়ার নূন্যতম যোগ্যতা তার নেই। অর্থ-বিত্তের লোভে সীমাহীন দুর্নীতি করে দেশকে দুর্নীতির আখড়া বানিয়েছিল তারেক।

তিনি আরো বলেন, তারেকের কারণে দেশে জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাসবাদ মাথা চাড়া দিয়েছিল। সুতরাং এমন মানুষকে নেতা মেনে যারা রাজনীতি করার চিন্তা করে, তাদের আমি চাটুকার, লোভী এবং স্বার্থপর রাজনীতিবিদ হিসেবে চিহ্নিত করবো। আদর্শহীন, অযোগ্য, অবিবেচককে নেতা বানিয়ে বিএনপি তার বর্তমান ও ভবিষ্যৎ রাজনীতিকে ঝুঁকির মুখে ফেলে দিয়েছে। তারেক বিএনপির জন্য অশনি সংকেত।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি