বৃহস্পতিবার ১৫ এপ্রিল ২০২১
  • প্রচ্ছদ » Lead 1 » করোনা ইস্যু: রুহুল আলমের মৃত্যুতে আতঙ্কে রিজভী!



করোনা ইস্যু: রুহুল আলমের মৃত্যুতে আতঙ্কে রিজভী!


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
20.03.2021

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সিএমএইচ হাসপাতালে মারা গেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) রুহুল আলম চৌধুরী। তার মৃত্যুর খবর শুনে আতঙ্কে রয়েছেন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। কারণ, তিনিও করোনা আক্রান্ত।

দায়িত্বশীল সূত্রের তথ্যমতে, মেজর জেনারেল (অব.) রুহুল আলম চৌধুরী করোনায় আক্রান্ত হয়ে শনিবার (২০ মার্চ) রাজধানীর সিএমএইচ হাসপাতালে মারা গেছেন। এর আগে গত ১০মার্চ জ্বর ও সর্দি নিয়ে তিনি সিএমএইচ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। পরে তার করোনা ভাইরাসের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। ১৩ মার্চ সন্ধ্যায় অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

অপরদিকে, বেশ কয়েকদিন ধরে জ্বরে ভুগছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। অবস্থার পরিবর্তন না হওয়ায় বুধবার (১৭ মার্চ) তিনি করোনা টেস্টের জন্য স্যাম্পল দেন। সেই রিপোর্টে করোনা পজিটিভ আসে। বিষয়টি পরবর্তীতে গণমাধ্যমকে নিজেই জানান বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা। রাতে অবস্থার আরও অবনতি হলে বৃহস্পতিবার (১৮ মার্চ) সকালে তাকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এখনও তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন। তবে তার শারীরিক অবস্থার কোন পরিবর্তন নেই, অপরিবর্তিত রয়েছে।

এ ব্যাপারে শনিবার (২০ মার্চ) সকালে বাংলা নিউজ ব্যাংকের সঙ্গে আলাপনে বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম জানান, রুহুল কবির রিজভীর জ্বর কমেনি, থেমে থেমে জ্বর আসছে। ফুসফুসে সামান্য ইনফেকশন রয়েছে, কাশিও রয়েছে। এছাড়া তিনি খাবারও খেতে পারছেন না। তাকে নিয়ে তার পরিবারসহ দলীয় নেতৃবৃন্দও উদ্বিগ্ন। এমনকি রিজভী নিজেও আতঙ্কগ্রস্ত।

রিজভীর পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, রিজভী সারাক্ষণ চুপচাপ থাকছেন, কারো সঙ্গে কথা বলছেন না। চোখে-মুখে কেমন যেন একটা আতঙ্ক বিরাজ করছে তার। সেই আতঙ্ক আজ আরও বেড়ে গেছে মেজর জেনারেল (অব.) রুহুল আলম চৌধুরীর মৃত্যুর পর। তার জন্য এখন দোয়া করা ছাড়া আর কোন পথ খোলা নেই।

এ ব্যাপারে লন্ডনের কিংস্টনভিত্তিক সূত্র বলছে, রিজভীর শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসার বিষয়ে তারেক রহমান সব সময় খোঁজ-খবর নিচ্ছেন। খারাপ কোন কিছুই যাতে না ঘটে, সে ব্যাপারে তিনি দলীয় হাইকমান্ডকে কড়াভাবে নির্দেশনা দিয়েছেন। মির্জা ফখরুল ব্যতীত সবাই তা পালনে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তাই রিজভী সুস্থ হয়ে উঠলেই ফখরুলের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেবেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, এখন পর্যন্ত এই সিদ্ধান্তই বলবৎ রয়েছে।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি