বৃহস্পতিবার ১৫ এপ্রিল ২০২১
  • প্রচ্ছদ » Lead 1 » মোদির বাংলাদেশ সফর ঠেকাতে পাকিস্তানের অর্থায়ন!



মোদির বাংলাদেশ সফর ঠেকাতে পাকিস্তানের অর্থায়ন!


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
21.03.2021

একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের কাছে শোচনীয় পরাজয় ঘটে পাকিস্তানের। পরাজয়ের সেই আগুন আজও তাদের বুকে দাউ দাউ করে জ্বলছে। এ কারণে বন্ধুপ্রতীম রাষ্ট্র ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যখন স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও মুজিববর্ষ উপলক্ষে বাংলাদেশে আসছেন রাষ্ট্রীয় সফরে, তখন প্রতিহিংসা পরায়ণ হয়ে তারা তার সফর ঠেকাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। তারা চাইছে, কোনভাবেই যাতে মোদি এ দেশে আসতে না পারে।

নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্যমতে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে মুজিববর্ষ উদযাপন এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে আগামী ২৬ ও ২৭ মার্চ দু’দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে বাংলাদেশে আসছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও দেশটির বিভিন্ন দফতরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এ সময় তার সফরসঙ্গী হিসেবে থাকবেন। তাদেরকে স্বাগত জানাতে ইতোমধ্যে সকল প্রস্তুতিও সম্পন্ন করা হয়েছে। কিন্তু মোদির বাংলাদেশ যাত্রা নিয়ে জলঘোলা করছে হেফাজত। আর পেছনে কলকাঠি নাড়ছে, অর্থায়ন করছে একাত্তরের পরাজিত শক্তি পাকিস্তান।

বাংলা নিউজ ব্যাংকের অনুসন্ধানে জানা গেছে, স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও মুজিববর্ষ উপলক্ষে আগামী ২৬ মার্চ বাংলাদেশের বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশে আসছেন। কিন্তু যে ভারত না থাকলে একাত্তরে বাংলাদেশ কখনও স্বাধীনতার কল্পনা করতে পারতো না, সেই দেশের প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঠেকাতে হেফাজতে ইসলামকে গোপনে অর্থায়ন করছে ঢাকাস্থ পাকিস্তানি দূতাবাস।

শনিবার (২০ মার্চ) বিকেলে ‘Bangladesh Parliament -জাতীয় সংসদ’ নামক একটি টুইটার অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এই খবর সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। তার একদিন আগেই শুক্রবার (১৯ মার্চ) নরেন্দ্র মোদির আগমন ঠেকাতে রাজধানীতে একটি প্রতিবাদ সমাবেশ করা হয়। যার নেতৃত্ব ছিলেন হেফাজতে ইসলামের নেতারা। এ থেকে স্পষ্টতই যে, টুইটারে ছড়ানো বার্তা মোটেই এড়িয়ে যাওয়ার বিষয় নয়। কারণ, সমস্ত নির্দেশনা আসছে পাকিস্তান দূতাবাস থেকে।

কেন তাদের এতো আক্রোশ, কেন এই গাত্রদাহ তার নেপথ্যে গল্প জানালেন দেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, একাত্তরের পরাজয়ের ঘটনা এখনও লজ্জায় পাকিস্তানের রাতে ঘুমাতে দেয় না। এ কারণে তারা সব সময় বাংলাদেশের বিরোধিতা করে আসছে। এমনকি মোদির বাংলাদেশ সফর নিয়েও তারা বিপরীত অবস্থানে, বিপরীত মেরুতে। তারা হেফাজতের মাধ্যমে নিজেদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে নানা রকম অপব্যাখ্যা-অপপ্রচার চালাচ্ছে। জলঘোলা করার অপচেষ্টায় করা হচ্ছে, মিছিল-সমাবেশও। বলা হচ্ছে ভারতের মুসলমানদের ওপরে নির্যাতনের বিষয়ে ক্ষমা না চাওয়া পর্যন্ত নরেন্দ্র মোদিকে বাংলাদেশে ঢুকতে দেয়া হবে না। এছাড়া তার এই সফরের কোন যৌক্তিকতা নেই বলেও নানা রকম উস্কানিমূলক মন্তব্য করা হচ্ছে। যার আদতে কোন ভিত্তি নেই। এমতাবস্থায় সরকারের পাশাপাশি আমাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে, যাতে কোন মূল্যেই তারা দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রে সফল হতে না পারে।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি