বুধবার ২১ এপ্রিল ২০২১
  • প্রচ্ছদ » Lead 1 » ব্রেকিং: মোদি বিরোধী ইস্যুতে বায়তুল মোকাররমে হেফাজতের হট্টগোল



ব্রেকিং: মোদি বিরোধী ইস্যুতে বায়তুল মোকাররমে হেফাজতের হট্টগোল


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
26.03.2021

নিউজ ডেস্ক: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দু’দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে বাংলাদেশে এসেছেন বন্ধুপ্রতীম দেশ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার সফরসূচি ঘোষণার পর থেকেই স্বাধীনতাবিরোধী একটি কুচক্রী মহলের গাত্রদাহ শুরু হয়। যার প্রেক্ষিতে তারা রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে। শুক্রবার (২৬ মার্চ) জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে হেফাজতের হট্টগোলও তারই অংশ।

বিশ্বস্ত সূত্রের তথ্যমতে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দেশে আসা নিয়ে হেফাজত ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুর গংদের দিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাঁয়তারায় মদদ দেয় ঢাকাস্থ পাকিস্তান দূতাবাস। এর অংশ হিসেবে হেফাজতের পক্ষ থেকে নানা রকম অপব্যাখ্যা-অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। জলঘোলা করার চেষ্টায় বলা হচ্ছে, মোদি এলেই শুরু বিরুদ্ধাচারণ শুরু। শুধু তাই নয়, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর চক্রান্তে তারা ইতোমধ্যে রাজধানীতে শুক্রবার (১৯ মার্চ) রাজধানীতে একটি প্রতিবাদ সমাবেশ করে। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) পাকিস্তান দূতাবাস ও বিএনপি-জামায়াত চক্রের ‘পেইড এজেন্ট’ ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল করে বাংলাদেশ ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদ। একই ধারাবাহিকতায় মোদির আগমনের দিনেও (২৬ মার্চ) হেফাজত নেতারা আগে থেকে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম এলাকায় অবস্থান নিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি শুরু করেছে।

পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করলেও তাদের উপরে ‘নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবর’ স্লোগান বলে হামলা করা হচ্ছে। হেফাজত নেতারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোঁড়ার পাশাপাশি রড ও বাঁশের লাঠি নিয়ে তাদের ধাওয়া করছে। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মধ্য দিয়ে বর্তমানে রাজধানীর ওই এলাকায় এখন ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। শেষ খবর পর্যন্ত, গণমাধ্যমকর্মীসহ সেখানে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

এ বিষয়ে ওই এলাকায় দায়িত্বরত এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, বায়তুল মোকাররম থেকে জুম্মার নামাজের পর মোদির আগমন উপলক্ষে আকস্মিক বিরোধী মিছিল বের করে হেফাজত নেতারা। এ সময় সহযাত্রী হিসেবে তাদের সঙ্গে শিবির ও নুর গংদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তারা সবাই মোদি বিরোধী বিভিন্ন স্লোগানের পাশাপাশি ‘নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবর’ স্লোগান দিতে থাকে। এক পর্যায়ে পুলিশ তাদের এসব না করে ঘরে ফিরে যেতে বললে তাদের উপর চড়াও হয় তারা। ছুঁড়তে শুরু করে ইট-পাথর। কেউ কেউ বাঁশ আর রড নিয়ে ছুটে আসে পুলিশের দিকে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ রাবার বুলেট, সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল ছোড়ে। এতে তারা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে।

রাজনৈতিক বিজ্ঞজনদের ভাষ্য, মোদির আগমনকে কেন্দ্র করে দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করে তুলতে ঢাকাস্থ পাকিস্তান দূতাবাস যে অর্থায়ন করেছে, তার হয়ে হেফাজতের আড়ালে কাজ করছে মূলত জামায়াত-শিবির চক্র। আর সহযাত্রী হিসেবে তাদের কাজকে গতিশীল করতে ‘পেইড এজেন্ট’ হয়ে তাদের কাজ করছেন নুর গং। এমতাবস্থায় সরকারসহ আমাদের সবাইকে সচেতন থাকতে হবে যাতে তারা কোনভাবেই তাদের অসৎ উদ্দেশ্য সাধন না করতে পারে।

 



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি