বৃহস্পতিবার ১৫ এপ্রিল ২০২১
  • প্রচ্ছদ » Lead 1 » মোদি বিরোধী আন্দোলন: হেফাজত-নুরের পাশে ডা. জাফরুল্লাহ



মোদি বিরোধী আন্দোলন: হেফাজত-নুরের পাশে ডা. জাফরুল্লাহ


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
29.03.2021

বিএনপি-জামায়াত চক্র যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমনে শতভাগ বিরুদ্ধাচরণ করছে, তা যেন সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ক্রমেই প্রকাশ্য হচ্ছে। রাজধানীতে এই আন্দোলনের সমর্থনে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিলের পর এবার হেফাজত-নুরদের হয়ে কথা বললেন বিএনপি পন্থী বুদ্ধিজীবী ও গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

শনিবার (২৭ মার্চ) রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘ভাসানী অনুসারী পরিষদ’ আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, আপনারা কেউই হেফাজতের হরতালে বাধা দেবেন না। তাদের হরতাল যুক্তিগত। তাই তাদেরকে সবার সমর্থন দেওয়া উচিত। তিনি আরও বলেন, শান্তিপূর্ণ এই সমাবেশে কোনো উশৃঙ্খল জনতা নেই। পুলিশ ভাইয়েরা আপনারা চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকেন। এখান থেকে কাউকে ধরে নিয়ে যাবেন না।

এ সময় সমাবেশে তার সঙ্গে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির (মার্কসবাদী) সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর, আয়োজক সংগঠনের মহাসচিব মুক্তিযোদ্ধা শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী একজন সুযোগ সন্ধানী ও সুবিধাবাদী মানুষ। এ কারণে মোদি বিরোধী আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশ করে পুনরায় তারেক রহমানের সুনজরে আসতে চান। অভিন্ন এই লক্ষ্যেই তিনি হেফাজতের অপকর্মের প্রতি অন্ধ সমর্থন যোগাচ্ছেন, যে আন্দোলনের সঙ্গে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর গং ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাদের মূল উদ্দেশ্য দেশকে অস্থিতিশীল করে তোলা। সে জন্য তারা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির লক্ষ্যে ভারত তথা মোদির সফরকে বিরোধিতা করছেন। আর এসবের কলকাঠি লন্ডনে বসে নাড়ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মূলত তার গুড বুকে আসতেই পাকিস্তান দূতাবাস ও জামায়াতের যৌথ অর্থায়নে সৃষ্ট এই মোদি বিরোধী আন্দোলন নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন জাফরুল্লাহ। নিজের উদ্দেশ্য হাসিল হয়ে গেলে পুনরায় নিরব হয়ে যাবেন। এটাই তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য।

রাজনৈতিক বিজ্ঞজনদের আরও ভাষ্য, হেফাজত-নুরের পাশে ডা. জাফরুল্লাহ ভেবেচিন্তেই এসে দাঁড়িয়েছেন। কারণ, তিনি ভাবছেন তাদের পাশে তারেক রহমান, ঢাকাস্থ পাকিস্তান দূতাবাস ও জামায়াত আছে। তাই তাদের পাশে দাঁড়ালে লাভ বৈ সিঁকেভাগও ক্ষতি হবে না। এমতাবস্থায় স্বার্থলোভী ডা. জাফরুল্লাহসহ হেফাজত ও নুর গংদের প্রতি সরকারের পাশাপাশি আমাদেরও কঠোর দৃষ্টি রাখতে হবে, যাতে তারা কোনভাবেই তাদের অসৎ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল না করতে পারে। কলঙ্কিত করতে না পারে লাল-সবুজের পবিত্র বাংলাদেশকে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর এই ক্ষণে এটাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি