মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০২১



হেফাজতের গুলিতে ইসলামি আন্দোলনের পাঁচ কর্মী নিহত


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
29.03.2021

নিউজ ডেস্ক: আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার কুমিল্লা–সিলেট মহাসড়কের নন্দনপুর এলাকায় হেফাজতের ইসলামের সঙ্গে ইসলামি আন্দোলনের ৪ কর্মী নিহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ মার্চ) বিকেল পাঁচটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া শহরের কান্দিরপাড়া এলাকায় হেফাজতে ইসলাম ও মাদ্রাসাছাত্রদের মধ্যে সংঘর্ষের পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। মাদ্রাসার ছাত্রটি ইসলামি আন্দোলন পন্থী ছিলো বলে জানা যায়।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন নন্দনপুর হারিয়া গ্রামের আবদুল লতিফ মিয়ার ছেলে ওয়ার্কশপের দোকানি জুরু আলম (৩৫), সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার দাবিড় মিয়ার ছেলে শ্রমিক বাদল মিয়া (২৪), ব্রাহ্মণবাড়িয়া বারিউড়া এলাকার মৈন্দ গ্রামের জুরু আলীর ছেলে সুজন মিয়া (২২) ও বুধল ইউনিয়নের বুধল গ্রামের প্লাম্বার শ্রমিক মো. কাউওসার (২২)।

কান্দিরপাড়া এলাকায় সংঘর্ষে নিহত ছাত্রের নাম জুবায়ের (১৭)। তার বাড়ি সদর উপজেলার সরিদপুর গ্রামে। সে কান্দিরপাড়া জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসার ছাত্র। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল থেকে নিহতের পরিচয় পাওয়া গেছে। হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) রানা নুরুস শামস গুলিবিদ্ধ হয়ে এই পাঁচজনের মৃত্যুর খবর গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান বলেন, অনেক আগে থেকেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে হেফাজতে ইসলাম ও ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হতো। এবারের সংঘর্ষ মারাত্মক পর্যায়ে পৌঁছায়। বুধল ইউনিয়নের নন্দনপুর থেকে তার লোকজন (পুলিশ) কোনোমতে প্রাণে বেঁচে এসেছেন। পুলিশের অনেকে আহত হয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার বুধল ইউনিয়ন থেকে বিকেল চারটার দিকে হেফাজতে ইসলামের নেতা–কর্মীরা একটি মিছিল বের করেন। মিছিলটি কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের নন্দনপুর এলাকায় পৌঁছালে ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের সঙ্গে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া শুরু হয়। এ সময় হেফাজতের পক্ষ থেকে ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের দিকে গুলি ছোড়া হলে ৫ জন প্রাণ হারায়।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি