মঙ্গলবার ২০ এপ্রিল ২০২১
  • প্রচ্ছদ » Lead 1 » বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দুই বছর ধরে ঝর্ণাকে ভোগ করেছে মামুনুল!



বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দুই বছর ধরে ঝর্ণাকে ভোগ করেছে মামুনুল!


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
08.04.2021

নিউজ ডেস্ক: হেফাজতে ইসলামের যুগ্ন-মহাসচিব ও খেলাফতে মজলিসের মহাসচিব মামুনুল হক ও ঝর্ণার অবৈধ সম্পর্ক উন্মোচিত হয় গত ৫ এপ্রিল। সোনারগাঁও এর রয়েল রিসোর্টে মামুনুল হক ও জান্নাত আরা ঝর্ণা একান্ত সময় কাটানোর সময় স্থানীয় জনতা তাদের আটক করে। আটকের পর মামুনুল হক ঝর্ণাকে তার ২য় স্ত্রী হিসেবে দাবি করলেও স্ত্রীর নাম জিজ্ঞাসা করার পর ১ম স্ত্রীর নাম বলেন। তবে রিসোর্টে মামুনুল হক ও ঝর্ণার দেওয়া তথ্যে রয়েছে বিস্তার ফারাক।

পরবর্তীতে মামুনুল হক তার প্রথম স্ত্রীকে ফোন করে সাথে থাকা মহিলাকে হাফেজ শহিদ ভাই এর স্ত্রী বলে দাবি করেন। যে ফোনালাপটি ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যে মামুনুল হক লাইভে এসে জানান এটি তার ২য় স্ত্রী। তার আগের সংসারে তালাকের পর তারা বিয়ে করেছেন বলে জানান। এবং সেই সংসারে ২টি পুত্র সন্তান রয়েছে বলেও জানান।

এদিকে ঝর্ণার ছেলে ও পিতা-মাতার দাবি বিয়ের কথা তারা জানেন না।

ঝর্ণার ছেলে অভিযোগ করেন ছোট ভাইকে দুধ পান করানোর সময় মামুনুল কুপ্রস্তাব দেয় ঝর্ণাকে। ঝর্ণা তখন বলেন আপনি আপনার কাছের বন্ধুকে ঠকাচ্ছেন। বাংলা নিউজ ব্যাংকের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে আরো চাঞ্চল্যকর তথ্য। ‘মামুনুল এর সাথে পরকিয়ার সূত্র ধরেই শহিদুল ও ঝর্ণার সংসারে ডিভোর্সের ঘটনা ঘটে। মূলত মামুনুলের যৌন আকাঙ্ক্ষার বলি হোন ঝর্ণা।’

সূত্র বলছে, ডিভোর্সের পর ঝর্ণা মামুনুলকে বিয়ের জন্য চাপ প্রয়োগ করলে মামুনুল হক ঝর্ণাকে প্রথমে একটি সেলাই মেশিন কিনে দেয় এবং পরে একটি পার্লার করে দেয়। যার নাম ‘ঢাকা বডি ম্যাসেজ’। এই পার্লারে অনেক হেফাজত নেতার যাতায়াত আছে বলেও জানা যায়।

অপরদিকে দিনের পর দিন ঝর্ণাকে নিজের ইচ্ছে মত ভোগদখল করে আসছিলো মামুনুল হক। সোনারগাঁও এর রয়েল রিসোর্টে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িত থাকার ফলে ধরা পরে জনরোষের হাত থেকে বাঁচতে ঝর্ণাকে নিজের ২য় স্ত্রী দাবি করলেও এখন পর্যন্ত বিয়ের কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি মামুনুল হক।

অপরদিকে ঝর্ণার দাবি মামুনুল হক বিয়ের স্বপ্ন দেখানোর কারণেই শহিদুল এর সাথে ডিভোর্স হয়েছে তার। কিন্তু ডিভোর্সের ২ বছর পার হয়ে গেলেও তাকে বিয়ে করে স্ত্রীর মর্যাদা দেয়নি মামুনুল হক। বিয়ে করে স্ত্রীর মর্যাদা না দিলে আইনের আশ্রয় নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন জান্নাত আরা ঝর্ণা।

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অন্যের স্ত্রীকে ভাগিয়ে এনে বছরের পর বছর ভোগদখল করা কি ইসলামের কোথাও আছে এমন প্রশ্নের উত্তরে হেফাজত নেতা মাওলানা সালাহউদ্দিন নানুপুরী বলেন, ‘এটা কোনভাবেই উচিৎ নয়। ইসলামের দৃষ্টিতে মামুনুল হক যা করেছেন তা সম্পূর্ণ হারাম। গর্হিত পাপ। এজন্য আমি তাকে সংগঠন থেকে বের করার পরামর্শ দিয়েছি। একজন মুসলমান এধরনের পাপ কখনো করতে পারেন না।’



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি