মঙ্গলবার ১১ মে ২০২১
  • প্রচ্ছদ » other important » স্থায়ী কমিটিতে জায়গা পেতে বিএনপি নেতাদের এক্সট্রিম লবিং



স্থায়ী কমিটিতে জায়গা পেতে বিএনপি নেতাদের এক্সট্রিম লবিং


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
18.04.2021

নিউজ ডেস্ক : বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমেদের মৃত্যুর আগেই স্থায়ী কমিটিতে দুটি পদ শূন্য ‍ছিলো। মওদুদ আহমেদ মারা যাবার পর বিএনপি স্থায়ী কমিটিতে মোট তিনটি পদ শূন্য হয়। উক্ত তিনটি পদ বাগিয়ে নিতে বিএনপিতে শুরু হয়েছে লবিং বাণিজ্য। শোনা যাচ্ছে, অনেকেই কমিটিতে স্থান পাইয়ে দেয়ার জন্য দলটির কয়েকজন সিনিয়র নেতাকে অর্থ-বিত্ত, ফ্ল্যাট এমনকি গাড়ি উপহার দেয়ার মতো প্রলোভনও দিচ্ছেন।

বিএনপির অন্তত দুজন নেতার সঙ্গে কথা বলে এমন প্রেক্ষাপটের সত্যতা যাচাই করা হয়েছে।

এই বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ একজন নেতা বলেন, স্থায়ী কমিটির তিনটি পদ নিয়ে দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ।

তিনি আরো বলেন, তারেক রহমানের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক থাকায় এখন পর্যন্ত ৫ জন জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য গত কদিন ধরে ধর্না দিচ্ছেন। দুঃখজনক হলেও সত্য, যোগ্যতা ও জ্যেষ্ঠতা না থাকা সত্ত্বেও তারা স্থায়ী কমিটির সদস্য হওয়ার জন্য আমাকে অর্থ-বিত্ত, ফ্ল্যাট এমনকি দামি গাড়ি উপহার দেয়ারও প্রলোভন দিয়েছেন। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।

দলের স্থায়ী কমিটির পুনর্গঠন ও প্রত্যাশা সম্পর্কে জানতে চাইলে বিএনপি চেয়ারপারসনের এক উপদেষ্টা আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, বিএনপির সম্মানিত চেয়ারম্যান যাকে যুতসই মনে করবেন তাকেই ডিরেক্টর নিযুক্ত করবেন। সে বিবেচনায় পর্যায়ক্রমে গুলশান কার্যালয়ের শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, আব্দুস সাত্তার, ফাতেমা বেগম কিংবা নয়াপল্টনের রেজাউল করিমও যদি দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য হন, তাতে অবাক হওয়ার কিছু নাই। বিএনপি তো ইচ্ছাধারী নেতাদের দলে পরিণত হয়েছে।

স্থায়ী কমিটির পদ পেতে উৎকোচ ও ধর্নার বিষয়ে জানতে চাইলে স্থায়ী কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সদস্য আমির খসরু বলেন, যেকোনো কমিটিতে পদ পেতে নেতা-কর্মীরা তো সব সময় উদগ্রীব থাকেন। আর স্থায়ী কমিটির পদ পাওয়া তো নেতাদের জন্য স্বপ্ন পূরণের সমান হবে। তাই হয়তো অনেকেই বিভিন্ন জায়গাতে চেষ্টা-তদবির, লবিং করছেন।

তিনি আরো বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তার বিশেষ ক্ষমতাবলে পদ বিতরণ করতে পারেন। এখানে স্থায়ী কমিটির সদস্যদের বেশি কিছু করার সুযোগ নেই। আসলে যাদের যোগ্যতা কম তারাই এই ধরণের অনৈতিক কাজ করে থাকেন। একটি পদের জন্য কোটি কোটি টাকা ঘুষ না দিয়ে এই টাকা আন্দোলন সংগ্রামের পেছনে খরচ করলে আজকে বেগম জিয়াকে জেলে থাকতে হতো না।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি