মঙ্গলবার ১১ মে ২০২১



৪২০ ধারায় ফাঁসছেন মামুনুল হক


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
20.04.2021

নিউজ ডেস্ক : প্রায় সময়ই ৪২০ বা ‘ফোর টুয়েন্টি’ বলে অনেককে অপবাদ দিতে দেখা যায়। কিন্তু এটি এসেছে আইনের ৪২০ ধারা থেকে। এ ধারায় প্রতারণা এবং প্রতারণার শাস্তি নিয়ে বলা হয়েছে। এবার প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে দ্বিতীয় বিয়ের কথা না জানানোয় প্রতারণা মামলায় ফাঁসছেন হেফাজত নেতা মামুনুল হক।

আইন অনুযায়ী যে ব্যক্তি, কাউকে ফাঁকি দিয়ে প্রতারণামূলকভাবে বা অসাধুভাবে কোনো ব্যক্তির কাছে কোনো সম্পত্তি প্রদানে বা রাখতে প্ররোচিত করে, সঙ্গে জেনে বুঝে কাউকে না জানিয়ে তার ক্ষতি সাধন করে তাহলে হবে প্রতারণা। মূলত যার ফলে ব্যক্তির শরীর, মন বা সম্পত্তির ক্ষতির আশঙ্কা থাকে, তাহলে সেটি প্রতারণা হবে।

প্রতারণার বিভিন্ন রকমফেরের মধ্যে বিয়ে নিয়ে প্রতারণা অন্যতম। সাধারণত দণ্ডবিধির ৪২০ ধারায় এ বিষয়ে মামলা বেশি হতে দেখা যায়। এ ধারায় শাস্তি সর্বোচ্চ ৭ বছর এবং পাশাপাশি অর্থদণ্ডেরও বিধান আছে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী প্রথম স্ত্রীকে না জানিয়ে বিয়ে করা দণ্ডনীয় অপরাধ। ইতিমধ্যে হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক রিমান্ডের প্রথম দিনই এ বিষয়ে মুখ খুলেন। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে মামুনুল হক তিনটি বিয়ের কথা স্বীকার করেছেন। এই তিনটি বিয়ের মধ্যে একটির কাবিন করেছেন। বাকি দু’টির কাবিননামা নেই বলে জানিয়েছেন মামুনুল। আর এ কারণে ধারণা করা হচ্ছে তিনি প্রতারণা মামলায় ফেঁসে যেতে পারেন। যার কারণে তার সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। সঙ্গে কোনো পুরুষ যদি সালিসি পরিষদের অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করেন, দোষী সাব্যস্ত হয়ে এক বছর পর্যন্ত জেল ও ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড কিংবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

পাশাপাশি দণ্ডবিধি আইন ১৮৬০-এর ৪৯৪-এর বিধানমতে, যদি কেউ স্বামী বা স্ত্রীর জীবনকালে পুনরায় বিয়ে করেন তবে সে ব্যক্তি যে কোন বর্ণনার কারাদণ্ডে যার মেয়াদ সাত বছর পর্যন্ত হতে পারে ও তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি