মঙ্গলবার ১১ মে ২০২১



তারেকের স্বেচ্ছাচারিতার বলি হচ্ছেন মির্জা ফখরুল


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
03.05.2021

নিউজ ডেস্ক : ১৪ বছর ধরে ক্ষমতার বাইরে থাকা বিএনপি বর্তমান অবস্থা ভঙ্গুর পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিশেষ করে কয়েক বছরের বাজে অভিজ্ঞতার কারণে বর্তমানে দলের হাইকমান্ডের তরফ থেকে অসহযোগিতা পাচ্ছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

জানা গেছে, দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বেচ্ছাচারিতা, একতরফা সিদ্ধান্ত, অসহযোগিতা ও সহকর্মীদের ঘোরতর বিরোধিতার কারণে রাজনীতিতে ধীরে ধীরে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ছেন মির্জা ফখরুল। এদিকে গুঞ্জন উঠেছে, হাইকমান্ডের ক্রমাগত বিরোধিতার প্রতিশোধ নিতেই দলকে কৌশলে রাজপথ বিমুখ করে রেখেছেন মির্জা ফখরুল। মির্জা ফখরুলের কৌশলে পরাজিত হয়েই রাজপথে কঠোর আন্দোলনের বদলে মানববন্ধন, প্রেসব্রিফিং ও অভিযোগের রাজনীতিতে আটকে পড়েছে বিএনপি। মির্জা ফখরুলের নিষ্ক্রিয়তাকে তাই দলের জন্য হুমকিস্বরুপ মানছে দলটির তারেকপন্থী নেতারা। যদিও মির্জা ফখরুলের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, করোনা ভাইরাসের কারণে তারা আন্দোলন করতে পারছে না। তবে তারেকপন্থী নেতারা তা মানতে চাইছে না।

মির্জা ফখরুলের রাজনৈতিক নীরবতা ও অস্বস্তির বিষয়ে জানতে চাইলে তার ঘনিষ্ঠ অনুচর ও দলটির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য পরিচয় গোপন রাখার শর্তে বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকেই হাইকমান্ডের কোন রকম সহযোগিতা পাচ্ছেন না মির্জা ফখরুল। বিশেষ করে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বেচ্ছাচারিতা, একপেশে মনোভাব ও একক সিদ্ধান্ত গ্রহণে গোঁড়ামির কারণে দলে কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন তিনি। এছাড়া প্রতিনিয়ত তার বিরুদ্ধে তারেক রহমানের কানভারী করা হয়।

তিনি আরো বলেন, দল গঠন, কমিটি অনুমোদনসহ অন্যান্য রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে মির্জা ফখরুলকে কোন রকম সহায়তা করছেন না তারেক। বরং রিজভী আহমেদের উপর তারেক রহমানের বিশেষ নির্ভরতা নিয়ে দলে নানা গুঞ্জন চাউর হচ্ছে। সত্যি বলতে মির্জা ফখরুলের রাজপথে নিষ্ক্রিয়তার জন্য তারেক রহমানসহ কিছু সংশয়বাদী নেতা দায়ী। বিএনপিকে রাজপথে ফেরাতে হলে অবশ্যই এসব স্বেচ্ছাচারিতা দূর করতে হবে এবং যোগ্য নেতাদের তাদের পাওনা অনুযায়ী মূল্যায়ন করলে দল শক্তিশালী হবে। নেতা মূল্যায়িত হলেই দলের শক্তি বাড়বে।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি