মঙ্গলবার ১১ মে ২০২১
  • প্রচ্ছদ » other important » ফুটপাতের লুঙ্গি গামছা কিনে যাকাত দিচ্ছেন মির্জা আব্বাস



ফুটপাতের লুঙ্গি গামছা কিনে যাকাত দিচ্ছেন মির্জা আব্বাস


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
05.05.2021

নিউজ ডেস্ক : সম্পদের পরিমাণ হাজার কোটি টাকার মতো হলেও ফুটপাত থেকে ১ হাজার লুঙ্গি ও গামছা কিনে ঢাক ঢোল পিটিয়ে যাকাত দিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। যাকাত দেয়ার নামে এমন লোক দেখানো কাজ কর্মের জন্য ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়াতে ব্যাপক সমালোচনার স্বীকার হয়েছেন আব্বাস দম্পতি।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে বিব্রত হয়েছে মির্জা আব্বাসের দল। বিএনপির সিনিয়র নেতারা বলছেন, হাজার কোটি টাকার সম্পদ থাকার পরও ফুটপাতের লুঙ্গি কিনে গরীবদের যাকাত দেয়ার নামে তিরস্কার করা হলো। অঢেল সম্পত্তির মালিক হবার পরও বিগত তিন বছরে দলের জন্য ১০টাকাও খরচ করেননি মির্জা আব্বাস। তাহলে প্রশ্ন জাগে তার এতো টাকা কোথায় যায়?

তবে বিষয়টিকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অপর সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, টাকা পয়সার মালিক হলে সব টাকা বিলিয়ে দিতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। বর্তমানে বলা হচ্ছে বিএনপিতে মির্জা আব্বাস কোনো টাকাই দিচ্ছেন না। কিন্তু আমার প্রশ্ন হলো তিনি কেন টাকা দিবেন? আমরা কি মির্জা আব্বাসকে যথার্থ মূল্যায়ন করেছি? তার স্ত্রীকে ২০১৯ সালে সংসদের মহিলা আসনের সদস্যপদ দেয়ার কথা ছিলো। কিন্তু তারেক রহমানের গুড বুকে রুমিন ফারহানা থাকায় যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও আফরোজা আব্বাসকে সদস্যপদ দেয়া হয়নি। মির্জা আব্বাসকেও যথার্থ মূল্যায়ন করা হয় না। একটা মানুষ আর কতো সহ্য করবে। এই কারণেই মির্জা আব্বাস বিএনপিতে টাকা দিতে চাচ্ছেন না। তবে যাকাতটা লোক দেখানো না করলেও পারতেন।

এ বিষয়ে মির্জা আব্বাসের সঙ্গে কথা হলে, খানিকটা বিব্রত হয়ে তিনি জানান, লুঙ্গিগুলো ফুটপাতের হলেও মানসম্পন্ন ছিলো। অনেক দরদাম করে উপযুক্ত পণ্যই গরীবদের সরবরাহ করা হয়েছে। তাছাড়া গরীব মানুষ আর কতোই বা দামী পোশাক পরে? তাদের জন্য ওসবই ঠিক আছে।

উল্লেখ্য, মির্জা আব্বাসের যাকাত পাওয়া এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানা যায়। লুঙ্গিটি দর্জির কাছে নিয়ে সেলাই করতে দিলেই কাপড় ছিঁড়ে দুই টুকরা হয়ে যায়। বর্তমানে ঘর মোছার কাজে মির্জা আব্বাসের লুঙ্গি ব্যবহার করছে যাকাত গ্রহীতারা।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি