শুক্রবার ১৮ জুন ২০২১
  • প্রচ্ছদ » Lead 2 » বাবুল আক্তারের মতো রোজিনাও কি হিরো থেকে ভিলেনে পরিণত হবে?



বাবুল আক্তারের মতো রোজিনাও কি হিরো থেকে ভিলেনে পরিণত হবে?


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
20.05.2021

নিউজ ডেস্ক : পাঁচ বছর আগে চট্টগ্রামে স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যাকাণ্ডের কয়েক মাস পর পুলিশ সুপারের চাকরি হারিয়েছিলেন বাবুল আক্তার। এরপর মামলার তদন্তে অগ্রগতি না হওয়ায় হতাশ হয়ে পড়ছিলেন মিতুর বাবা–মা। এদিকে বেসরকারি চাকরি ও পরে ব্যবসা করে গুছিয়ে উঠছিলেন বাবুল আক্তার। এতদিন পর সেই বাবুল আক্তার গ্রেপ্তার হলেন স্ত্রী হত্যার মামলায়।

আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিত পেয়ে বাবুল আক্তারকে চট্টগ্রামে নিয়ে যায় মামলার তদন্তের দায়িত্বে থাকা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। টানা দুই দিন জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে গ্রেপ্তারের কথা জানায় তারা। যদিও পাঁচ বছর আগে মনে হয়েছিলো বাবুল আক্তার নির্দোষ, তবে বর্তমানে এর সত্যতা বেরিয়ে এলো, বাবুল আক্তার একজন অপরাধী।

ঠিক একই কাণ্ড ঘটতে যাচ্ছে সরকারি নথি চুরি করা সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের ক্ষেত্রে। প্রথম অবস্থায় আবেগী হয়ে তাকে অপরাধী বলতে জনগণ নারাজ হলেও আদৌতে তিনি একজন চোর। যদি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নথি চুরি অসাবধানতা বশত হতো তবে মানা যেতো। কিন্তু তিনি জেনে বুঝে চুরি করেছেন। এর আগে নৌ পরিবহণ মন্ত্রণালয়ে ফাইল চুরি করে ধরা খেয়ে ছিলেন রোজিনা। যার ফলে নৌ পরিবহণ মন্ত্রণালয় থেকে তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ফাইল চুরি করে দিয়েছিলেন মুচলেকা। বর্তমানে তিনি করলেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নথি চুরি।

করোনাভাইরাসের টিকা পাওয়ার ব্যাপারে কয়েকটি দেশের সঙ্গে চুক্তির প্রক্রিয়া চলছে বাংলাদেশের। সঙ্গে টিকা না পাওয়া দেশগুলো টিকা প্রদানকারী দেশ থেকে টিকা সংগ্রহের জন্য তোড় জোর চালাচ্ছে। এমতাবস্থায় বাংলাদেশের নথি উক্ত দেশগুলোর হাতে পৌঁছে গেলে তারা বাংলাদেশকে টপকিয়ে আগে টিকা নিতে সক্ষম হবে। আর এ কারণে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএস বাংলাদেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নথি হাতিয়ে নিতে দু’মাস আগে প্রথম আলোর সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের সাথে চুক্তিতে বসেন। উক্ত চুক্তিতে রোজিনা ৫’শ কোটি টাকার বিনিময়ে দেশের গোপন নথি আইএসকে সোপর্দ করে দিতে পারবে বলে আশ্বস্ত করেন। যার পরিকল্পনা মাফিক রোজিনা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নথির ছবি তুলেছেন বলে জানতে পেরেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

উল্লেখ্য, পেশায় সাংবাদিক হলেও রোজিনার টাকা পয়সার অভাব ছিলো না। মাত্র ৩০ হাজার টাকা বেতনে চাকরি করেও তার ঢাকার খিলগাঁও ও ধানমন্ডি ১৫ তে দুটি ৭ তলা বাড়ি ও বনানীতে আড়াই কোটি টাকা মূল্যের একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট রয়েছে তার। এছাড়া গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী আবদুল মান্নানের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের জেরে রোজিনা নিজের এবং তার স্বামীর নামে রাজউকের কাছ থেকে পূর্বাঞ্চলে একটি ৫ কাঠার প্লট এবং অন্যান্য দুটি প্লট পেয়েছিলেন।

এমতাবস্থায় রোজিনাকে নিয়ে দেশের মানুষকে পুনরায় ভাবতে হবে। জানতে হবে তার আসল চরিত্র সম্পর্কে।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি