শুক্রবার ১৮ জুন ২০২১
  • প্রচ্ছদ » Lead 2 » দেশে প্রথম ভয়াবহ মাদক এলএসডি আসে তারেক-মামুনের হাত ধরে



দেশে প্রথম ভয়াবহ মাদক এলএসডি আসে তারেক-মামুনের হাত ধরে


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
03.06.2021

নিউজ ডেস্ক : পাপ কখনো চাপা থাকে না। প্রকাশ হয়েই যায়। এবার মিললো চাঞ্চল্যকর সেরকম এক নতুন খবর। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র তারেক রহমান ও তার ব্যবসায়িক অংশীদার গিয়াসউদ্দিন আল মামুনের হাত ধরেই এ দেশে প্রথম যাত্রা হয় মস্তিস্ক বিকৃত করে দেবার মাদক এলএসডির।

১৯৩৮ সালে সুইস রসায়নবিদ আলবার্ট হফম্যান প্যারাসাইটিক ফাঙ্গাস নিয়ে কাজ করতে গিয়ে এলএসডি আবিষ্কার করেন। আবিষ্কারের প্রথমদিকে এলএসডি ওষুধ হিসেবে ব্যবহার হতো। তবে ওষুধটি মস্তিষ্কের ক্ষতি করে বলে পরে এটিকে নিষিদ্ধ করা হয়।

তবে ১৯৮০ সালের পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষ এলএসডি গ্রহণ করা শুরু করে। যা ৯০ এর দশকে সমগ্র বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় বাংলাদেশের ক্ষমতায় বিএনপি আসলে, আয়েশি জীবন যাপনের উদ্দেশ্যে খালেদা পুত্র তারেক তার বন্ধু মামুনকে নিয়ে ইউরোপ-আমেরিকা ঘুরতে গেলে সেখানকার বারগুলে প্রথম এলএসডি সেবন করেন তারেক রহমান। সে সময়ই তিনি ও তার বন্ধু সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বাংলাদেশে এই মাদকের প্রচলন শুরু করবেন।

১৯৯৬ সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতাচ্যুত হলে, তারেকের সেই স্বপ্ন ভেস্তে যায়। তবে ২০০১ এ ফের ক্ষমতায় এলে পুরনো স্বপ্ন বাস্তবায়নে উদগ্রীব হয়ে ২০০২ সালের ১৪ই সেপ্টেম্বর দেশের প্রথম ১ হাজার মাইক্রোগ্রামের এলএসডি আমদানি করেন তারেক রহমান।

সে সময় তারেকের হাওয়া ভবনে বিভিন্ন নারীদের নিয়ে আমোদ ফুর্তির অংশ হিসেবে এলএসডিও খেতেন তারেক রহমান। পরবর্তীতে এলএসডিকে ব্যবসায়ের আওতায় এনেছিলেন, তারেক ও মামুন। যদিও উক্ত ব্যবসা শুধু বিএনপির হেবিওয়েট ব্যবসায়ী মহলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিলো।

অনুসন্ধানে জানা যায়, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও ব্যবসায়িক অংশীদার গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের গাজীপুরের বাগানবাড়ি খোয়াব ভবনে প্রায় প্রতিরাতেই বসতো মদ, জুয়া, এলএসডি ও নারী মনোরঞ্জনের আসর।

সেখানে চিত্রনায়িকা শায়লা, জনা, ফারহানা নিশো, অদিতি সেনগুপ্ত, বেবী নাজনীন, শামা ওবায়েদের পাশাপাশি একাধিক ভারতীয় নায়িকাও আসা-যাওয়া করতো। আর এগুলোর পূর্ণ তত্ত্বাবধানে ছিলেন তারেক রহমান ও তার বন্ধু গিয়াসউদ্দিন আল মামুন।

তারা ওই সমস্ত মক্ষীরাণীদের নির্দেশনা দিতেন, যৌবনের জালে বিএনপির ব্যবসায়ীদের ফাঁসিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিতে। এতে অনেকের সাজানো সুখের সংসার ভেঙেছে। কেউবা হারিয়েছে নিজের সর্বস্ব।

জানা গেছে, চক্রটি এখনো সক্রিয়। চুপিসারে চালিয়ে যাচ্ছে এ কর্ম। তবে তারেক রহমান লন্ডনে অবস্থান করায় এসব দেখভাল করছে ছাত্রদল ও যুবদলের একটি অংশ। আর তাদের দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন দলের তারেকপন্থী সিনিয়র একটি অংশ। তারা ব্যবসার হিসেব-নিকাশ কষে লভ্যাংশটুকু তারেককে পাঠিয়ে দিচ্ছেন তার আয়েশি জীবনযাপনের জন্য।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি