বুধবার ২৮ জুলাই ২০২১
  • প্রচ্ছদ » Lead 1 » স্বৈরাচার জিয়ার হাত ধরেই দেশে মদ ও পার্টি কালচারের শুরু



স্বৈরাচার জিয়ার হাত ধরেই দেশে মদ ও পার্টি কালচারের শুরু


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
17.06.2021

ডেস্ক রিপোর্ট: ঢাকা বোট ক্লাবে নায়িকা পরীমনিকে ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের চেষ্টার পর দেশজুড়ে মদ ও পার্টি কালচার নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। দেশপ্রেমিক জনগণ এবং সংস্কৃতি অঙ্গনের মানুষরা বলছেন, মদ আর পার্টি কালচারের কারণে দেশের যুব সমাজ উচ্ছন্নে যাচ্ছে। বাঙালির হাজার বছরের লালিত সংস্কৃতি ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে, শহরের উঠতি তরুণরা নানা অন্যায় কাজে যুক্ত হচ্ছেন। অনেক নারী লাঞ্ছিত হচ্ছেন। যার সর্বশেষ শিকার নায়িকা পরীমনি। এসব ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে, বাংলাদেশে এভাবে অবাধে মদ আর পার্টি কালচারের শুরু হল কিভাবে? খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা স্বৈরাচার জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই দেশে এসব অপসংস্কৃতির আগমন। জিয়াউর রহমানই মুসলিমপ্রধান বাংলাদেশে সর্বপ্রথম মদের লাইসেন্স দেন।

সূত্র জানায়, দেশ স্বাধীন করার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু মদ-জুয়ার লাইসেন্স বন্ধ করে দিয়েছিলেন। কিন্তু অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসে স্বৈরাচার জিয়াউর রহমান আবার লাইসেন্স চালু করে দেন। জিয়াউর রহমান স্টিমার ক্লাব করেছিলেন। হিজবুল বাহার করেছিলেন। দেশের যুবকদের বিপথে নিয়ে গিয়ে নিজের শাসন নির্বিঘ্ন করার চেষ্টার অংশ হিসেবে মুসলিম প্রধান দেশে মদ-জুয়ার পথ উন্মুক্ত করে দেন জিয়াউর রহমান।

জিয়ার আমলে যারা তরুণ ছিলেন তাদের জিজ্ঞেস করলেই অনেকেই লাকী খানের নাচের কথা বলবেন। মদ খেয়ে উন্মাদের মত নেচে আলোচনা তৈরি করেছিলেন লাকী খান। জিয়ার হাত ধরেই সেসময় দেশের তরুণদের অধঃপতন শুরু হয়েছিল।

জানা গেছে, জিয়ার স্ত্রী বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াও ক্ষমতায় এসে স্বামীর ধারাবাহিকতা রক্ষা করেন। অনেকে বলেন, জিয়ার চেয়েও তার বউ আরও এক কাঠি সরেস। খালেদা জিয়ার ফ্রিজ সবসময়ই মদে ভর্তি থাকতো। সারারাত মদ খাওয়ার কারণে খালেদা জিয়া দুপুরের আগে ঘুম থেকে উঠতে পারতেন না। তার বড় ছেলে তারেক রহমান শুধু মদ-গাজার নেশায় সারাদিন বুদ হয়ে থাকেন। ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো তো অতিরিক্ত নেশা করে মরেই গেছেন।

খালেদা জিয়ার শাসনামলে জিয়ার তৈরি করা মদ-পার্টি কালচারের আরও বিকাশ হয়। ফলে দেশের অনেক জায়গায় নতুন নতুন ক্লাব তৈরি হয়। রাজধানী এবং এর আশেপাশে সাভার-গাজীপুরে অনেকগুলো ক্লাব তৈরি হয় খালেদা জিয়ার আমলে। এসব ক্লাবে মদ খাওয়া হয়, জুয়া খেলা হয়। সেখানে তরুণ-তরুণীদের উদ্দাম ডিজে পার্টিতে নাচেন। মদ ছাড়াও আরও নানা ধরনের নেশা চলে দিনভর।

সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা জানান, দেশের যুব সমাজকে অধঃপতনের হাত থেকে বাঁচাতে এবং বাঙালির হাজার বছরের সংস্কৃতিকে রক্ষা করতে জিয়ার আমলে তৈরি হওয়া মদ-জুয়া-পার্টির এসব অপসংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। সেইসাথে মদ-জুয়ার লাইসেন্স দেওয়ার কারণে স্বৈরাচার জিয়ার মরণোত্তর বিচার করতে হবে।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি