মঙ্গলবার ২৭ জুলাই ২০২১
  • প্রচ্ছদ » Lead 2 » বিভ্রান্তি নয় সচেতন হোন, সক্রিয় কনক সরওয়ারের গুজব সেল



বিভ্রান্তি নয় সচেতন হোন, সক্রিয় কনক সরওয়ারের গুজব সেল


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
13.07.2021

নিউজ ডেস্ক: সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা। কিন্তু সেই মহান পেশাকে নিয়ম করে কলুষিত করে যাচ্ছে সাংবাদিকতার ইতিহাসে সবচেয়ে নিকৃষ্ট ব্যক্তি ও গুজবের জন্মদাতা হলুদ সাংবাদিক কনক সরওয়ার। অবশ্য তাকে সাংবাদিক না বলে সোশ্যাল মিডিয়া এক্টিভিস্ট বলা যেতে পারে। তার কর্মকাণ্ডের দরুন দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। দেশের বিভিন্ন সংবেদনশীল ইস্যু থেকে শুরু করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে নিয়ে গুজব ছড়ানো, সরকারবিরোধী প্রোপাগান্ডাসহ সব ধরণের কাজ করে সমালোচিত হয়েছিলেন এই কনক সরওয়ার।

সম্প্রতি কনক সরওয়ারের নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেলে ‌‘জানোয়ারতন্ত্র! সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কর্ণেল শহীদউদ্দীন খানের বিশ্লেষণ’ শিরোনামে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। ওই ভিডিওটির একটি অংশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গত বছরের একটি পুরোনো ভিডিও নতুন করে পুন:প্রচারণা চালানো হয়েছে। ভিডিওটিতে দেখে গেছে, করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে সরকার নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করায় যশোর জেলার অভয়নগরের ভৈরব সেতুর উপর সেনাবাহিনীর টহলদল একদল জনসাধারণকে শাস্তির আওতায় নিয়েছে। সরকারি নির্দেশ বাস্তবায়নে সর্বদা নিরলস পরিশ্রম করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তাদের কাজের বিভিন্ন খন্ডচিত্র কাটপিস করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়ানোয় মত্ত রয়েছে একটি অসাধু চক্র। তারই একটি অংশ কনক সরওয়ার ও কর্ণেল শহীদউদ্দীন নিয়ন্ত্রিত গুজব সেল।

ভিডিওটি নিয়ে নওয়াপাড়া পৌরসভা মেয়র আশফিক সাহরিয়ার মুকুল জনসাধারণের উদ্দেশ্যে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। লিখেছেন, ভৈরব ব্রিজের যে ভিডিওটি প্রকাশিত হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায় তা পূর্বের -২০২০ সালের। কেউ এই ভিডিও দেখে বিভ্রান্ত হবেন না।

এই কনক সরওয়ার একুশে টেলিভিশনের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক হিসেবে কর্মরত থাকাকালীন ২০১৫ সালে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় ও দেশদ্রোহীর মামলায় গ্রেপ্তার হন। ২০১৫ সালে ৯ মাস জেল খেটেছেন তিনি। এছাড়াও ইতিহাস বিকৃত করার অভিযোগে ইউটিউবসহ অন্যান্য ডিজিটাল মাধ্যম থেকে প্রবাসী সাংবাদিক ড. কনক সরওয়ারের কন্টেন্ট সরিয়ে নেয়ার আদেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। ১৭ই নভেম্বর ২০২০ হাইকোর্টে একটি পিটিশন দায়ের করেছিলেন আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক।

দেশের সার্বিক উন্নয়নযজ্ঞে কোণঠাসা হয়ে পড়া বিএনপি-জামায়াত জোট দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য নতুন কৌশলের আশ্রয় নিয়েছে। দুর্নীতি, অর্থ পাচার, জঙ্গি সম্পৃক্ততা ও নৈতিক স্খলনের দায়ে দণ্ডিত, পলাতক এবং চাকরীচ্যুত কর্নেল শহীদ উদ্দিন খানকে দিয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যদের উসকে দেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে এই দেশবিরোধী চক্র। সেই চক্রের সাথে হাত মিলিয়ে কনক সরওয়ার তার চরিত্রের প্রমাণ দিয়ে দেন। বিদেশে থেকে রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ এবং সাংবাদিকতার ফোকাসে প্রতিনিয়ত প্রতিহিংসা এবং ষড়যন্ত্রমূলক বার্তা প্রদান করে থাকেন। যার প্রমাণ সাজাপ্রাপ্ত আসামি কর্নেল শহীদ, মেজর দেলোয়ার ও অর্থলোভী, সমাজ ধিক্কৃত লেফটেনেন্ট জেনারেল হাসান সারওয়ার্দীর মতো দেশবিরোধী মানুষ এর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে তাদের নিয়ে তার ইউটিউব চ্যানেলে লাইভে এসে তাদের মিথ্যাচারকে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করা।

তার মূল উদ্দেশ্যই হল দেশ উন্নয়নে বাঁধা দেয়া, দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা। এবং সরকার বিরোধী মিথ্যাচার করে দেশের মানুষের মনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা। সেনাবাহিনীর দু’জন অবাঞ্ছিত সদস্যকে নিয়ে প্রায়সই লাইভ-এ এসে তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে অর্থ উপার্জনের মাধ্যমকে আরো শক্ত করছে এবং দেশের জনগণকে মিথ্যাচার দিয়ে বিভ্রান্ত করছে।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি