মঙ্গলবার ২৭ জুলাই ২০২১



জুস কারখানার অগ্নিকাণ্ডে রাজনৈতিক লাভ খুঁজছে বিএনপি


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
14.07.2021

নিউজ ডেস্ক: নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে হাশেম ফুড বেভারেজ কোম্পানির জুস কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছে ৫২ জন। পুলিশ পাহারায় রূপগঞ্জ ফ্যাক্টরি থেকে ৪৯ জনের মরদেহ নেওয়া হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে। ফায়ার সার্ভিসের ডেমরা স্টেশন জানান, পাঁচটি অ্যাম্বুলেন্স করে লাশগুলো শুক্রবার বিকেল ২.৩০ মিনিটে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে জাতীয় একটি বিপর্যয়কালীন সময়ে সারাদেশের মানুষের পাশাপাশি বিএনপির এগিয়ে আসাকে সহমর্মিতার অংশ বলা গেলেও অনেক হিসাব-নিকাশ করে বিএনপির এই পদক্ষেপের কঠোর সমালোচনা করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। বিশ্লেষকরা বলছেন, নারায়ণগঞ্জের ঘটনায় রাজনৈতিক ফায়দার হিসাব-নিকাশ করে লাভের বিষয়টি বিশেষভাবে বিবেচনা করে কৌশলে ক্ষতিগ্রস্তদের খোঁজ নিয়েছে বিএনপি। যার কারণে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের ফটোসেশন করা থেকে সংঘর্ষ বেধে যায়। এটি নিছক ঘৃণ্য রাজনীতির অংশ বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেন, রাজনৈতিক লাভ-ক্ষতির অংক কষেই রূপগঞ্জে পা দেন বিএনপির নেতৃবৃন্দ। জাতীয় একটি দুর্যোগকালীন সময়েও ঘৃণ্য রাজনীতি করার অপচেষ্টা করেছে দলটি। লাশের রাজনীতি করে ধ্বংসস্তূপ থেকে রাজপথে ফেরার স্বপ্ন দেখছে বিএনপি। রাজনৈতিক দলগুলো যখন ডান-বাম না দেখেই রূপগঞ্জের বিষয়ে খোঁজ-খবর নিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়িয়েছে, তখন বিএনপি লাভ-লোকসানের খাতায় অংক করা নিয়ে ব্যস্ত ছিল।

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে আরো বলেন, বৃহত্তর একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপির উচিত ছিল প্রথমদিনই ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানো, তাদের আর্থিক সহায়তা দেয়ার। কারণ, বিএনপির অনেক নেতাই এই দেশের মানুষের রক্ত চুষে বিদেশে অর্থপাচার করেছেন। জাতির বিপদেও বিএনপি নিজেদের ফায়দা নিয়ে ব্যস্ত ছিল। এখন সমালোচনার পড়ে লোক দেখাতে প্রতিনিধি দল পাঠিয়ে খোঁজ নিচ্ছে বিএনপি। বিষয়টি দুঃখজনক।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি