মঙ্গলবার ২৭ জুলাই ২০২১
  • প্রচ্ছদ » Lead 3 » ব্রেকিং: জাইমা রহমানের ব্যাংকে পাওয়া গেলো ২৫০ কোটি টাকা



ব্রেকিং: জাইমা রহমানের ব্যাংকে পাওয়া গেলো ২৫০ কোটি টাকা


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
16.07.2021

নিউজ ডেস্ক : সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, গত এক বছরে বাংলাদেশ থেকে এক হাজার তিনশ কোটি টাকা বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে। তবে প্রাথমিক অনুসন্ধানে দেখা যাচ্ছে, জাইমা রহমানের নামে বড় অংকের টাকা হুন্ডির মাধ্যমে প্রথমে গেছে সিঙ্গাপুরে। সিঙ্গাপুর হয়ে পরবর্তীতে গেছে সুইস ব্যাংকে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, সুইস ব্যাংকে তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমানের ২টি অ্যাকাউন্ট রয়েছে। গত বছরের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত এই দুই অ্যাকাউন্টে বাংলাদেশি টাকায় অন্তত আড়াই’শ কোটি টাকা জমা হয়েছে। এছাড়া তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানের নামে রয়েছে আরও ২টি অ্যাকাউন্ট। সেগুলোতে জমা পড়েছে ১৭৫ কোটি টাকা। তারেকের প্রয়াত ভাই কোকোর স্ত্রী শর্মীলা রহমান সিঁথির একটি অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে ১২৫ কোটি টাকা।

ধারণা করা হচ্ছে যে, বিভিন্ন সময়ে দেশে হওয়া নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন বাণিজ্যের টাকাই সুইস ব্যাংকে জিয়া পরিবারের অ্যাকাউন্টগুলোতে জমা পড়েছে। প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, গত বছরের বিভিন্ন সময় শুধু জিয়া পরিবারের ৩ সদস্যের নামেই প্রায় সাড়ে ৫শ কোটি টাকা জমা পড়েছে। টাকাগুলো জমা পড়েছে জুলাই থেকে ডিসেম্বর মাসের মধ্যে।

শুধু জিয়া পরিবারের ৩ সদস্যই নয়, সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট আছে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং তার পুত্র তাবিথ আউয়ালের। আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীরও একটি অ্যাকাউন্ট পাওয়া গেছে দেশটির একটি ব্যাংকে। এছাড়া অ্যাকাউন্ট আছে, বিএনপির অন্যতম নেতা মোরশেদ খান এবং তার ছেলে ফয়সাল খানের নামেও। সব মিলে সুইজারল্যান্ডের কয়েকটি ব্যাংকে শুধু বিএনপি নেতৃবৃন্দের নামেই আছে প্রায় হাজার কোটি টাকার মতো।

এছাড়া শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনুসের গ্রামীণ সোশ্যাল বিজনেস (সামাজিক ব্যবসা) এর নামেও সুইস ব্যাংকে ২টি অ্যাকাউন্ট রয়েছে। ওখানে তার একটা স্থায়ী আমানত আছে। নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়ে যে অর্থ তিনি পেয়েছিলেন তার পুরোটাই তিনি সেখানে জমা রেখেছেন বলে ধারণা করা হয়। ওই টাকা তিনি দেশে আনেননি। এছাড়াও ড. ইউনুস বিভিন্ন দেশে যে সামাজিক যোগাযোগ ব্যবসা করছেন এবং বক্তৃতা দিচ্ছেন সেই টাকা সুইস ব্যাংকেই তিনি জমা রাখছেন বলে জানা যায়।

দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে, লন্ডনে কঠোর নজরদারি থাকার কারণে তারেক রহমানের পরিবার টাকা লেনদেনের নিরাপদ জায়গা হিসেবে সুইজারল্যান্ডকে বেছে নিয়েছে। কারণ এখানে গোপনীয়তা রক্ষা করা হয় এবং টাকা যিনি রাখেন তাকে সুরক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। ব্রিটেনে থাকার কারণে এবং অবৈধ লেনদেনের কানেকশন থাকার কারণে তারেক রহমান অর্থ ঠিকই তুলতে পারেন। এই অর্থগুলো দিয়েই তিনি লন্ডনে বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন বলে একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি