মঙ্গলবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১



দিকভ্রান্ত ফখরুল


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
09.08.2021

নিউজ ডেস্ক: দলের চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া রাজনীতিতে নেই। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডনে পলাতক থাকায় বিভিন্ন আবদার ও আবেদন নিয়ে মহাসচিবের কাছেই ছুটে যান নেতাকর্মীরা। তবে নেতাকর্মীদের জন্য তিনি কিছুই করতে পারছেন না। যার কথা বলছি তিনি বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এ বিষয়ে বেশ কয়েকজন নেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, নেতাকর্মীদের সমস্যার সমাধান দিতে না পারলে পদে থাকার প্রয়োজন কী? তার সিদ্ধান্ত ও সমাধান দেওয়ার ক্ষমতা যেহেতু নেই, তাই মহাসচিবের পদ থেকে মির্জা ফখরুলের দ্রুত পদত্যাগ করা উচিত।

তারা জানান, গত ২০ জুন রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে জিয়াউর রহমানের ৪০তম মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনা সভা শেষে বের হওয়ার সময় জাতীয়তাবাদী যুবদলের পদবঞ্চিত কয়েকজন নেতার তোপের মুখে পড়েন বিএনপি মহাসচিব। তখন পদবঞ্চিত যুবদল নেতারা পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের দাবি জানান।

তারা বলেন, পাঁচ বছর ধরে যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি দেওয়া হচ্ছে না। বিভিন্ন সময় মানববন্ধন-সমাবেশ এবং স্মারকলিপি দেওয়ার পরও কমিটি দেওয়া হয়নি। দলের জন্য জীবন পার করে দিলাম। এরপরও দলের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। কিন্তু আমাদের যা প্রাপ্য, তা দেওয়া হচ্ছে না কেন?

নেতাকর্মীরা অভিযোগ করে বলেন, বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের কেন্দ্রীয় মহানগর জেলা, উপজেলাসহ বিভিন্ন ইউনিটের কমিটির সংকট ও সমস্যা নিয়ে দলীয় কার্যালয় এবং মহাসচিবের উত্তরার বাসায় গিয়ে লিখিত আবেদন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দিন মাস পেরিয়ে বছরের পর বছর অতিক্রান্ত হলেও সেই অভিযোগ আমলে নিয়ে সংকট নিরসনের উদ্যোগ নেয়া হয়নি। আর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে যোগাযোগ করলেই শুধু গণতন্ত্রের দাবিতে আন্দোলন-সংগ্রামের কথা বলে এসব বিষয় কৌশলে এড়িয়ে যান তিনি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপিপন্থী বুদ্ধিজীবী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা আলমগীর একজন পুতুল মহাসচিব। তিনি নিজ থেকে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। তিনি খালেদা জিয়ার দয়ায় মহাসচিব হয়েছেন, তিনি তো নির্বাচিত মহাসচিব নন। ফলে কোনো সিদ্ধান্তের জন্য লন্ডনের অপেক্ষায় থাকতে হয় তাকে। তাই বিএনপিতে তিনি একজন পুতুল মহাসচিব ছাড়া আর কিছুই নন।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি