বুধবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১



অভ্যুত্থানের পরিকল্পনা বিএনপির!


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
23.08.2021

ডেস্ক রিপোর্ট: আন্দোলনে জনগণের সাড়া না পেয়ে এবার অগণতান্ত্রিক পথে সরকার পতনের চেষ্টা করছে বিএনপি। দীর্ঘদিন ধরে প্রস্তুতি নিলেও বিষয়টি গোপনে রেখেছিল বিএনপি। এবার প্রকাশ্যেই অভ্যুত্থান করে সরকার পতনের ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। হঠাৎ করে প্রকাশ্যে অভ্যুত্থানের ঘোষণার পর রাজনৈতিক অঙ্গনে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সরকারের গোয়েন্দা সংস্থা বিএনপির এই ঘোষণাকে গুরুত্বের সাথে নিয়েছে। বিএনপির অভ্যুত্থানের পরিকল্পনার সাথে কারা যুক্ত, অর্থায়ন কারা করছে সব বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে বলে সরকারের গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে।

জানা গেছে, গত এক যুগে সরকার পতনে অসংখ্য আন্দোলন করেছে। কিন্তু কোন আন্দোলনেই জনগণ সাড়া দেয়নি। ফলে বিএনপির সরকার পতনের আন্দোলন ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে। বার বার আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা হতাশ হয়ে পড়ছেন। এমতাবস্থায় সরকার পতনে বিকল্প উপায় খোঁজা শুরু করে বিএনপির নীতিনির্ধারকরা। বিদেশি বন্ধুদের সহায়তায় দেশে অভ্যুত্থান ঘটিয়ে সরকার পতনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে পরামর্শ দেন তারা। এরপর লন্ডনে পাকিস্তান দূতাবাসে যোগাযোগ করেন তারেক। পরিকল্পনা হয়, দেশে আন্দোলনের নামে বিশৃঙ্খলা তৈরি করবে বিএনপি-জামায়াত। আর পাকিস্তানের সহায়তায় আফগানিস্তান, ইরাক, সিরিয়া থেকে জঙ্গিরা বাংলাদেশে প্রবেশ করবে। জঙ্গিদের সহায়তায় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের হত্যা করে দেশের ক্ষমতায় বসবে বিএনপি। ইতোমধ্যেই বিএনপি-জামায়াতের শতাধিক কর্মী জঙ্গি হামলার প্রশিক্ষণ নিতে আফগানিস্তানে প্রবেশ করেছে বলেও জানা গেছে।

সূত্র জানায়, সরকার পতনে তারেক রহমানের সাথে পাকিস্তান দূতাবাসের বৈঠক অনেক আগে হলেও এতদিন গোপনে প্রস্তুতি নিয়েছে বিএনপি। সম্প্রতি আফগানিস্তানে তালেবানের সাফল্যে উদ্বুদ্ধ হয় বিএনপি। ফলে দলটির নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন অভ্যুত্থান ঘটানোর এটাই উপযুক্ত সময়। এজন্যই মির্জা ফখরুল প্রকাশ্যে অভ্যুত্থানের ঘোষণা দিলেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলেন, বিএনপির জন্ম হয়েছে সামরিক ছাউনিতে। দলটির জন্ম হয়েছে অগণতান্ত্রিকভাবে। ফলে সরকার পরিবর্তনে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ওপর তাদের আস্থা কম। সাম্প্রতিক অভ্যুত্থানের পরিকল্পনায়ও তাদের অগণতান্ত্রিক মনোভাব ফুটে উঠেছে। তবে বাংলাদেশের মানুষ জঙ্গিবাদী রাজনীতি পছন্দ করে না। ২০০৪ সালের ২১ আগস্টে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ওপর গ্রেনেড হামলার ফলে বাংলাদেশের মানুষ বিএনপিকে ক্ষমা করেনি। আবারও যদি সেরকম পথে বিএনপি এগোয় তাহলে সেটি দলটির জন্য আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত হবে। জনগণের সমর্থন ছাড়া ক্ষমতায় আসার চেষ্টা করলে বিএনপি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে চিরদিনের মত হারিয়ে যাবে।

 

 

 



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি