মঙ্গলবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১
  • প্রচ্ছদ » Lead 3 » মসজিদের ভেতরেই স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে লাথি মারলেন আরেক নেতা



মসজিদের ভেতরেই স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে লাথি মারলেন আরেক নেতা


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
06.09.2021

বগুড়ায় মসজিদের ভেতরে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মাজেদুর রহমান জুয়েলকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগ উঠেছে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সরকার মুকুলের বিরুদ্ধে।

গত শুক্রবার দুপুরে জুমার নামাজ শেষে শহরের বায়তুর রহমান সেন্ট্রাল মসজিদে জেলা বিএনপি আয়োজিত এক দোয়া মাহফিলে এ ঘটনা ঘটে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১৪তম কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে এ দোয়ার আয়োজন করা হয়েছিল।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাংসদ (বগুড়া-৬) গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম, বগুড়া পৌরসভার মেয়র ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য রেজাউল করিম বাদশাসহ আরো অনেকে। তাদের সামনেই এমন ঘটনা ঘটেছে।

অনুষ্ঠানে থাকা নেতাকর্মীরা বলছেন, দোয়া মাহফিল চলাকালীন একপর্যায়ে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মাজেদুল রহমান জুয়েলকে লাথি মারেন সংগঠনের জেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক সরকার মুকুল।

জেলার কয়েকটি ইউনিটে স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটি গঠন করা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে তাকে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। কমিটি গঠনের পর জেলা ও স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জুয়েল ও যুগ্ম আহ্বায়ক সরকার মুকুলের মধ্যে মতবিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধের জেরেই সরকার মুকুল দোয়া মাহফিল চলাকালীন জুয়েলকে লাঞ্ছিত করেন।

নেতাকর্মীরা বলেন, অনুষ্ঠান শেষে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জুয়েল মসজিদ থেকে বের হয়ে এসে চিৎকার করে বলেন, বেয়াদবির একটা সীমা আছে। লাথি মারছে আবার উল্টা কথা বলছে। আমি রাজনীতি করে খাই না। যারা রাজনীতি করে খায় তারাই বুঝবে। এ সময় জেলা নেতাদের হস্তক্ষেপে তিনি স্থান ছাড়েন।

এ বিষয়ে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জুয়েল বলেন, দুপুরে মসজিদে বিএনপির নেতাকর্মী, সাংবাদিকসহ অন্যান্য লোকজন ছিল। মসজিদের বাইরে যা বলেছি তা সবাই শুনেছেন। সেসব আর বলতে চাই না। তবে এমন পরিস্থিতি আচরণ ও ব্যবহারগত সমস্যার কারণে হয়েছে।

জানতে চাইলে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সরকার মুকুল বলেন, তিনি (জুয়েল) মূলত আমাকে উত্তেজিত করার উদ্দেশ্যে এসব কথা বলছেন। কেন্দ্র থেকে জেলায় চারটি কমিটি করে দেওয়ার পর থেকে তিনি আমার সঙ্গে এমন করছেন। শুধু তাই নয়; দলের অনেকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় ফেসবুকসহ একাধিক মাধ্যমে উল্টাপাল্টা কথা বলেছেন জুয়েল।

জুয়েলকে লাঞ্ছিত করার বিষয়ে জানতে চাইলে সরকার মুকুল বলেন, মসজিদের ভিতর কী ওই পরিবেশ আছে? লাথি মারলে সিনিয়র নেতারা দেখবে না?

জানতে চাইলে জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম বলেন, অনেকদিন ধরেই জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের মধ্যে মতবিরোধ চলে আসছিল। কেন্দ্র থেকে জেলার কয়েকটি ইউনিট গঠন করার পর থেকেই এ বিরোধ হয়ে আসছে। এটা বড় কিছু নয়, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের নেতারা উত্তেজিত হয়েছিলেন বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি