বুধবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১
  • প্রচ্ছদ » Lead 3 » বিএনপির সিনিয়র নেতাদের হতাশা দিন দিন বাড়ছে



বিএনপির সিনিয়র নেতাদের হতাশা দিন দিন বাড়ছে


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
09.09.2021

গত দুই বছর ধরে ডানপন্থী ও বামপন্থী বিভিন্ন দলের সঙ্গে বৈঠক করতে নানা দেনদরবার করছে বিএনপি। তবে কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। এ পরিস্থিতিতে বিএনপির সিনিয়র নেতাদের হতাশা দিন দিন বাড়ছে।

সূত্র জানায়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গণফোরামের সঙ্গে জোট করে বিএনপি। ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হলেও সেই জোট তেমন কার্যকর হয়নি। নির্বাচনে বিশাল ব্যবধানে পরাজিত হয় জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

এদিকে বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলের দুর্নীতি, হত্যা-খুন, সন্ত্রাস ও বোমাবাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে জনগণ বর্জন করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকেও। কারণ বিএনপির চরিত্রের কোনো পরিবর্তন হয়নি। দেশব্যাপী আগুন সন্ত্রাস, দলের কমিটি গঠনের নামে চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজিতে ডুবে ছিলেন নেতাকর্মীরা।

এছাড়া বিএনপির সঙ্গে গিয়ে অবশিষ্ট মানসম্মানটুকুও হারিয়ে ফেলেছেন ড. কামাল হোসেন। ফলে আগামী নির্বাচনে বিএনপির সঙ্গে জোটে থাকবেন না তিনি। এছাড়া জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ব্যর্থতার পর কোনো দলই আর বিএনপির সঙ্গে জোট করতেও আগ্রহ দেখাচ্ছে না।

জানতে চাইলে ড. কামাল হোসেনের ঘনিষ্ঠ একজন নেতা বলেন, বিএনপির সঙ্গে স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াতে ইসলাম এবং বিভিন্ন মৌলবাদী দলের সম্পর্ক থাকায় জনগণ আমাদেরও বর্জন করেছে। গত নির্বাচনই তার প্রমাণ। তাই আগামী নির্বাচনে কোনোভাবেই বিএনপির সঙ্গে জোট করার সাহস পাচ্ছি না। জীবনের শেষ সময়ে এসে আবারো লজ্জার মুখে যাতে না পড়তে হয়, সেজন্যই বিএনপির সঙ্গে জোট করার বিপক্ষে ড. কামাল।

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, গত নির্বাচনেও আমরা বিএনপির সঙ্গে জোট করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু জামায়াতসহ বিভিন্ন সাম্প্রদায়িক-মৌলবাদীর সঙ্গ না ছাড়ায় বিএনপির সঙ্গে জোট করা সম্ভব হয়নি। এখনো সেই অবস্থা আছে। এছাড়া বিএনপির নেতৃত্ব নিয়েও ঝামেলা আছে। তাদের নেতা তারেক রহমান লন্ডনে অবস্থান করে বিভিন্ন কথা বলেন, আবার দেশে বিএনপির অনেকেই তারেক রহমানকে মানতে চান না। ফলে দ্বিধা-বিভক্ত একটি দলের সঙ্গে কাজ করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি