শুক্রবার ২২ অক্টোবর ২০২১
  • প্রচ্ছদ » Lead 1 » ফেঁসে যাচ্ছেন তারেকের অর্থদাতারা, শিগগিরই ব্যবস্থা!



ফেঁসে যাচ্ছেন তারেকের অর্থদাতারা, শিগগিরই ব্যবস্থা!


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
18.09.2021

নিউজ ডেস্ক: বাহ্যিকভাবে উপার্জন শূন্য হলেও চোখ-ধাঁধানো বিলাসী জীবনযাপন করছেন লন্ডনে পলাতক ফেরারি আসামি ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তবে কি আলাদিনের জাদুর চেরাগের ছোঁয়াতেই চলছে তার আয়েশি জীবন, এমন প্রশ্ন অধিকাংশের। উত্তর খুঁজতে শুরু হয়েছে তদন্ত। ইতোমধ্যে মিলেছে বেশ কিছু নাম। যারা তারেককে অর্থ সরবরাহ করে চলেছেন নিয়মিত। শিগগিরই তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানা গেছে।

দায়িত্বশীল সূত্রের তথ্যমতে, বাংলাদেশ থেকে প্রতি মাসে বিপুল পরিমাণে অর্থ পাচার হয়। পাচারকৃত এসব অর্থ কারা পাঠায় কিংবা কার কাছে যায়, দীর্ঘদিন এসব নিয়ে কাজ করে আসছিলো গোয়েন্দা সংস্থারা। তারই সূত্র ধরে এবার মিললো চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গেলো, প্রতি মাসে পাচার হওয়া এই অর্থের বিপুল পরিমাণ যাচ্ছে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মাস্টারমাইন্ড তারেক রহমানের কাছে। ঢাকা ও সিলেটের বেশ কয়েকজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী হুন্ডির মাধ্যমে তাকে এই অর্থ পাঠাচ্ছেন। যারা এই অর্থ তাকে পাঠাচ্ছেন, তারা ইতোমধ্যে এসেছেন গোয়েন্দা জালে। শিগগিরই তাদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগে নেয়া হবে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা।

বাংলা নিউজ ব্যাংকের অনুসন্ধানে জানা গেছে, লন্ডনে তারেকের ‘বিন্দাস জীবনযাপনের’ অর্থ যোগাচ্ছেন দেশের বেশ কিছু বিএনপিপন্থী ব্যবসায়ী। যারা ঢাকা ও সিলেট থেকে হুন্ডির মাধ্যমে ‘মাসিক চাঁদা’হিসেবে তাকে মোটা অংকের এই টাকা দিচ্ছেন। তাদের পাশাপাশি লন্ডনে অবস্থানরত সিলেটি রেস্টুরেন্টসহ বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ী থেকেও মোটা অংকের টাকা পাচ্ছেন তিনি।

গোয়েন্দাদের হাতে আসা এক তালিকায় দেখা গেছে, কেয়া কসমেটিকসের কর্ণধার আব্দুল খালেক পাঠান, গুলশানের সিলভার টাওয়ারের অন্যতম কর্ণধার, হাওয়া ভবনের অর্থদাতা এবং পৃষ্ঠপোষক সিলভার সেলিম, আব্দুল আওয়াল মিন্টু ও তার পুত্র তাবিথ আউয়াল, মোরশেদ খানের পুত্র ফয়সাল মোরশেদ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিভিন্ন সময়ে তারেক রহমানকে বিপুল পরিমাণ টাকা পাঠিয়েছেন এবং পাঠাচ্ছেন। তাই তাদেরকে কড়া নজরদারিতে রাখা হয়েছে। পাশাপাশি আরও কিছু ব্যক্তির নাম অচিরেই প্রকাশ হবে, যারাও কিনা উপরোক্তদের মতো নিয়মিতভাবে হুন্ডিসহ যাবতীয় চোরাই পথে তারেককে অর্থ পাঠান।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, লন্ডনে তারেকের দৃশ্যমান কোন আয় না থাকলেও যাপন করছেন বিলাসী জীবন। মূলত দেশ-বিদেশের বিএনপিপন্থী ব্যবসায়ীদের থেকে চাঁদাবাজি, মনোনয়ন ও কমিটি বাণিজ্য করেই তার চলছে। কিন্তু এভাবে আর কতদিন? সব কিছুরই একটা শেষ আছে। অচিরেই দুর্নীতির এই বরপুত্রের আয়েশি জীবনযাপনে অর্থযোগানদাতাদের আনা হবে আইনের আওতায়, নেয়া হবে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থাও।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি