শুক্রবার ২২ অক্টোবর ২০২১
  • প্রচ্ছদ » other important » নৌকায় ভোট দেয়ায় নারী নির্যাতনের জঘন্য খেলায় মেতেছিল বিএনপি



নৌকায় ভোট দেয়ায় নারী নির্যাতনের জঘন্য খেলায় মেতেছিল বিএনপি


বাংলা নিউজ ব্যাংক :
20.09.2021

নিউজ ডেস্ক: ২০০১ সালের ১ অক্টোবর কারচুপির নির্বাচনে জয়ী হয়ে দেশব্যাপী ধর্ষণ, নারী নির্যাতন, বিরোধী দল দমনের মতো ঘৃণ্য অপরাধে মেতে ওঠে বিএনপি-জামায়াতের কর্মীরা। বিশেষ করে আওয়ামী লীগকে ভোট দেয়ার কারণে সংখ্যালঘু নারী নির্যাতনের ঘটনা তৎকালীন সময়ে নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়। এসব ন্যক্কারজনক অপকর্ম রোধে তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ছিলো নীরব। সংখ্যালঘু নির্যাতন, নারী ধর্ষণ ও নিপীড়নের ঘটনা তৎকালীন রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের অংশে পরিণত হয়। নির্যাতনের ঘটনার প্রতিকার চাইতে গেলেও বিএনপির তরফ থেকে নির্যাতিতাদের ‘দুশ্চরিত্র, খারাপ মেয়ে’ বলে তিরস্কার করে বিচারের পথও রুদ্ধ করে দেয়া হতো।

তথ্যসূত্র বলছে, ২০০২ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার খাজরা ইউপির খালিয়া গ্রামের তারামনি গাইন (৩৫) নিজ পুত্রের সম্মুখে গণধর্ষণের শিকার হন। স্থানীয় বিএনপি-জামায়াত নেতারা এমন ন্যক্কারজনক ঘটনার সাথে জড়িত ছিলেন। পরবর্তীতে ওই বছরের ১৩ মার্চ জাতীয় দৈনিক আজকের কাগজে তারামনির ধর্ষণ ও বিএনপি-জামায়াত নেতাদের অনাচার নিয়ে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়।

সংবাদে বলা হয়, সাতক্ষীরায় বিএনপি-জামায়াতের কর্মীদের দ্বারা গণধর্ষণের শিকার তারামনি বিচার চাইতে গেলে তাকে ‘দুশ্চরিত্র’ বলে আখ্যা দিয়ে ধর্ষকদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেন স্থানীয় বিএনপি নেতা ও খাজরা ইউপি সদস্য সুনীল মণ্ডল। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতা মনিরুল ইসলাম ও চেয়ারম্যান মোবারক আলী গণধর্ষণের শিকার তারামনি গাইনকে খারাপ মেয়ে আখ্যা দিয়ে লম্পট ধর্ষকের পক্ষ নিয়ে তাদের মামলা থেকে অব্যাহত দেওয়ার আবেদন জানান। সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে উপস্থিত ইউপি সদস্য বিভারানী স্বীকার করেন, বিএনপি নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যানের চাপের মুখেই তারা ধর্ষকদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলন করতে এসেছেন। বিচারের পথ রুদ্ধ করতে এবং সংখ্যালঘুদের চাপে রাখতেই ধর্ষকদের রক্ষা করতে এমন হীন কাজ করে বিএনপি নেতারা।

বিরোধী দল-মতের মানুষদের দাবিয়ে রাখতে ধর্ষণকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার। জোট সরকারের শাসনামলে ঘটে যাওয়া হাজারো ধর্ষণের সুষ্ঠু বিচার হয়নি। দলীয় কর্মীদের রক্ষার্থে এসময় উল্টো নির্যাতিতাদের সামাজিকভাবে হেয় করার কৌশল অবলম্বন করে বিএনপি। বিএনপি-জামায়াত জোটের শাসনামলে দেশে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনা মহামারির মতো আকার ধারণ করেছিল।



এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি